ঠাকুর দেখতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৫, ১৮:১৭
 
বছরান্তে আশ্বিন-কার্তিকের পঞ্চমী থেকে দশমী তিথির পাঁচটি দিবস ‘জগজ্জননী’ উমা দেবীর পিতৃগৃহ ঘুরে যাওয়া। মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বোলে তাই যেন ধ্বনিত হচ্ছে বাঙালি হিন্দুদের হূদয়তন্ত্রীতে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার।
 
দেশের হাজারো পূজামণ্ডপ এখন উত্সব মাতোয়ারা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ দল বেঁধে পূজা দেখতে আসছে। সোমবার বিকাল থেকেই পূজামণ্ডপগুলোয় দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
 
শারদীয় দুর্গোত্সবের মহাসপ্তমী আগামীকাল। এদিন হবে দেবী-দর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ গ্রহণ। মূলত:দুর্গোত্সবের মূল পর্ব শুরু হচ্ছে আগামীকাল। মহাসপ্তমীতে ষোড়শ উপাচারে দেবীর পূজা হবে। সকালে ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হবে। দেবীকে আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, স্নানীয়, পুষ্পমাল্য, চন্দন, ধূপ ও দীপ দিয়ে পূজা করবেন ভক্তরা। সপ্তমী পূজা উপলক্ষে সন্ধ্যায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, রামায়ণ পালা, আরতিসহ নানা অনুষ্ঠান হবে। বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে সপ্তমীতে পূর্বাহ ৯-৫৭ মধ্যে নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন ও সপ্তাদি কল্পারম্ভ এবং সপ্তমী বিহিত পূজা প্রশস্ত। এরপর দিন মহাষ্টমী। পূর্বাহ ৯-৫৮ মধ্যে মহাষ্টমীর কল্পারম্ভ ও মহাষ্টমী বিহিত পূজা প্রশস্ত। রাত্র ১২-৩৫ গতে সন্ধিপূজা আরম্ভ, ১২-২৪ সন্ধিপূজা সমাপন।
 
প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ মিশনে বুধবার মহা অষ্টমীতে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা। পাঁচ দিনের শারদ উত্সব শেষ হবে বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে।