সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা) আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, তার (সাকার) বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ বানোয়াট এবং মিথ্যা। এসব অভিযোগ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের এ উপদেষ্টা বলেন, সাকা চৌধুরী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধী ছিলেন না। এ বিষয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। আদালত অনুমতি দিলে তার পক্ষে ডিফেন্সের সাতজন সাক্ষী জোড়ালো সাক্ষী দিবেন।
সাকার জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পড়াশুনা করার উদ্দেশ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ঢাকা ত্যাগ করেন। ওই সময় পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সহপাঠী ছিলেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কূটনীতিক মোহাম্মদ ওসমান সিদ্দিক, পাকিস্তানে বসবাসরত বিশিষ্ট স্থপতি মুনিব আরজুমান্দ খান, পাকিস্তানে বসবাসরত বিশিষ্ট সমাজকর্মী আম্বার হারুণ সায়গল, পাকিস্তানে বসবাসরত বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রী ইসহাক খান খাকোয়ান, পাকিস্তানে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রিয়াজ আহম্মদ নুন যিনি ভিকারুন্নেসা নূন এর নাতি ও পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মিয়া সুমরো এবং বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শামীম হাসনাইন।
এদিকে, সাকা চৌধুরীর পক্ষে রিভিউ শুনানিতে ৫ পাকিস্তানি নাগরিকসহ ৭ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন জানানো হয়। সাকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
