রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা ফারিজ রহমানের (১৬) গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালকসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং যথাসময়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, গুলশান থানার ওসিসহ ছয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ছয়জন আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। এছাড়া ওই ঘটনায় যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করায় গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা-ও জানতে চেয়েছে আদালত। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করীম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মোস্তাক হোসেন খান ইত্তেফাককে বলেন, ‘এখনও আমরা আদালতের নির্দেশনা হাতে পাইনি। আদালত যা বলবে আমরা সে নির্দেশনা অনুসরণ করব।’ পুলিশ ছেড়ে দেয়ার পর ওই কিশোরকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
