ভূমধ্যসাগরে বড় সামরিক মহড়া ন্যাটোর

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৫, ১৭:৪৩
 
এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রস্থলে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করেছে ন্যাটো এবং এর মিত্র দেশগুলো। সিরিয়ায় রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতির হুমকির মুখে ন্যাটো সামরিক শক্তি প্রদর্শনের এ মহড়া দিচ্ছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।
 
মহড়ায় অংশ নিচ্ছে কমপক্ষে ৩৬ হাজার সেনা, জাহাজ ও বিমান। মহড়ার তদারকি শুরুর আগে ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল ফিলিপ ব্রিডলোভ বলেন, ‘কোনো দেশ ন্যটোর সদস্য দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো রকম চেষ্টা করলে ন্যাটোভুক্ত সব দেশ চূড়ান্ত সামরিক ব্যবস্থা নেবে।’
 
বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়াই এ মুহূর্তে ন্যাটোর উদ্বেগ। রাশিয়ার হুমকিকে সামনে রেখে স্নায়ুযুদ্ধের পর এ সময়টিতেই ন্যাটো সামরিক খাত সবচেয়ে বেশি আধুনিকায়ন করতে বাধ্য হচ্ছে।
 
বাল্টিক অঞ্চলে যেখানে কিলিনিনগ্রাদে রাশিয়ার নৌঘাঁটি আছে, সেখান থেকে শুরু করে কৃষ্ণসাগর এবং সংযুক্ত ক্রিমিয়াসহ সিরিয়ায় রাশিয়ায় হস্তক্ষেপ—সব মিলিয়ে বিশাল এলাকাজুড়ে বিমান ও জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন রেখেছে রাশিয়া।
 
ন্যাটোর উপমহাসচিব জেনারেল অ্যালেক্সান্ডার ভার্সবো সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার সামরিকশক্তি বৃদ্ধি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। কিলিনিনগ্রাদ, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার শক্তিবৃদ্ধি আর এখন পূর্ব ভূমধ্যসাগর অঞ্চলেও মস্কোর একই পদক্ষেপ বাড়তি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।
 
ন্যাটো কর্মকর্তারা অবশ্য জোর দিয়েই বলছেন—তারা জোটভুক্ত ২৮টি দেশকেই যেকোনো হুমকি থেকে সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত এবং সক্ষম। এ ছাড়া, ন্যাটোর সম্মিলিত শক্তি রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি।