মেহেরপুরের রাশেদা হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৫, ১৭:১১
 
মেহেরপুর শহরের মলি¬কপাড়ার গৃহবধু রাশেদা বেগম (২৫) হত্যাকাণ্ডের তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।  মঙ্গলবার দুপুরে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক টিএম মুসা ওই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে- সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মিয়ারুল ইসলাম, কাবিদুল ইসলাম ও সেন্টু মিয়া। তিনজনকেই জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
 
পরকিয়া প্রেমের জের ধরে রাশেদা বেগমকে শ্বাসরোধ করে খুন করে মাটি চাপা দেওয়ার কয়েকদিন পরে ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যাদপুর মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
 
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের প্রবাসী আবুল বাসারের স্ত্রী রাশেদা বেগম মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতের সুযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। এর জের ধরে ওই তিন আসামি তাকে খুন করে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। সদর থানার তৎকালিন এসআই জিহাদ আলী বাদি হয়ে লাশ উদ্ধারের দিনে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলের সিম কার্ডের সূত্র ধরে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ১০ মে মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ আলীর আদালতে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেয় কাবিদুল ও সেন্টু। একই বছরের ২৮ আগষ্ট তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১১ জন সাক্ষির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ওই রায় প্রদান করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি কাজী শহিদুল হক।