সৌদি আরবে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটেনের সমালোচনার মুখে দেশটিতে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে দ্য টেলিগ্রাফে এক নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, সম্মান না দেখালে সৌদি আরবের সাথে ব্রিটেনের বন্ধুত্বে ফাটল ধরতে পারে। খবর- রয়টার্সের।
সৌদি আরবের সাথে জেল সংক্রান্ত একটি চুক্তি লন্ডন বাতিল করে দেয়ার পর এই প্রতিক্রিয়া দেখালেন রাষ্ট্রদূত প্রিন্স মোহাম্মেদ বিন নওয়াফ বিন আব্দুলআজিজ। দেশটিতে ১৭ বছরের কিশোরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক বয়স্ক ব্রিটিশ নাগরিককে ৩৫০ বেত্রাঘাত সাজা দেয়ার পর চুক্তিটি বাতিল করে ব্রিটেন।
সোমবার দ্য টেলিগ্রাফে রাষ্ট্রদূত লেখেন, ব্রিটেনে সৌদি আরবকে নিয়ে যেভাবে আলোচনা করা হয় তা গত কয়েক সপ্তাহে বিপদজনক অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে। তিনি আরো লিখেছেন, দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব থেকে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব যে সুবিধাগুলো পাচ্ছে, তার ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব যারা দেখতে চান না, এই আলোচনা দেখে তাদের শঙ্কিত হওয়ার কারণ রয়েছে। এছাড়াও সৌদি আরবের সাথে বিভিন্ন বাণিজ্য চুক্তির সুফল হিসেবে যে ৫০ হাজার ব্রিটিশ পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে তাও মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রদূত।
বর্তমান বিশ্বে যে কয়েকটি দেশে সম্পূর্ণ রাজতন্ত্র রয়েছে সৌদি আরব তার অন্যতম। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও পশ্চিমা দেশগুলোর সরকার সৌদি আরবে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রায়ই সমালোচনা করে থাকে। দেশটিতে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও নারী স্বাধীনতা নিয়ে এসব সমালোচনা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিচারের ক্ষেত্রে নিষ্ঠুর সাজা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে।
