চীন সক্রিয়ভাবে তার সামরিক বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। ২০২০ সাল নাগাদ তারা তাইওয়ান আক্রমণ করার মতো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার এক রিপোর্টে এই তথ্য জানিয়েছে।
চলতি বছরের প্রতিরক্ষা রিপোর্টে বলা হয়, ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক সত্ত্বেও চীন ব্যাপক পরিসরে যুদ্ধ-সামর্থ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে, যা ফরমোজা প্রণালীর উভয় পাশে একটি সামরিক সংঘাতের হুমকি জিইয়ে রাখবে।’
এতে বলা হয়, ‘চীনের মূল ভূখণ্ডের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির হার গত দশকে গড়ে দুই অঙ্কে উন্নীত হয়েছে, যা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কম।’ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এ দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অঞ্চলে কোন ধরনের আগ্রাসনে বিদেশি বাহিনীর হস্তক্ষেপ ঠেকাতে চীন তার নৌ ও বিমান বাহিনীকেও শক্তিশালী করে তুলছে। চীন বিশ্বাস করে যে, তারা তাইওয়ান আক্রমণ করলে বিদেশি হস্তক্ষেপই হবে তাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।
উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালে এক গৃহযুদ্ধের পর চীন ও তাইওয়ান ভাগ হয়ে যায়।
তাইওয়ানের বর্তমান চীনপন্থী প্রেসিডেন্ট মা ইং-জিয়াউ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দু’দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হয়েছে। চীন এখনো তাইওয়ানকে তাদের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ভূখণ্ড হিসাবেই বিবেচনা করে থাকে।
তাইওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে চীন শক্তি প্রয়োগ করবে না এমন ঘোষণা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। সূত্র: এএফপি
