বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কারাগারে পাঠানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তাদের শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার মির্জা ফখরুল সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর কিছু আগেই তিনি সিঙ্গাপুর থেকে চিকিত্সা নিয়ে ফিরেছেন।
এ বিষয়ে রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাত্ক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় দলটির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, নিম্ন আদালত তার স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে তাকে জামিন দেবেন যাতে তিনি তার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারেন।’
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের সাথে রাজনীতি করবেন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়। কিন্তু কাউকে তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হবে অত্যন্ত অমানবিক।’
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনেক দিন ধরেই অসুস্থ। তার হূদরোগসহ ঘাড়ে ক্যারোটিড আর্টারিতে ছিদ্র রয়েছে। এ বছর প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর উচ্চ আদালত তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য জামিন প্রদান করায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং সিঙ্গাপুরে কয়েক দফা চিকিত্সা নেন। কিন্তু তার ক্যারোটিড আর্টারিতে ছিদ্রটির অবস্থান খুবই জটিল হওয়ায় তা শৈল্য চিকিত্সার জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় তাঁর অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি।’
তিনি জানান, কয়েক দিন আগেও মির্জা ফখরুল সিঙ্গাপুরে চিকিত্সার জন্য ফলোআপে যান এবং এ মাসের ২৪ তারিখে সিঙ্গাপুরে তার আরো উন্নত চিকিত্সার জন্য যাওয়ার তারিখ ছিল।
