'বেগম জিয়া হরর মুভির নায়িকার বাস্তবরূপ'

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৫, ১৫:১৪
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হরর মুভির নায়িকার বাস্তবরূপ হিসেবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'তিনি রাজনৈতিক নেত্রীর ছদ্মাবরণে লেডি কিলার। হরর মুভির নায়িকা যেমন পোড়া মানুষের মাংস পছন্দ করেন, তেমনি বিএনপি নেত্রীও পেট্রোল বোমায় দগ্ধ মানুষের মাংসের গন্ধ পছন্দ করেন। রাজনীতির নামে নিরীহ মানুষ হত্যা করতে করতে তিনি যে কখন লেডি কিলার হয়ে গেছেন, তিনি তা নিজেই জানেন না।' লন্ডনে খালেদা জিয়ার করা বক্তব্যের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বুধবার সকালে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান বাবুর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরবর্তী এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন। 
 
আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান স্মৃতি পরিষদ এ সভার আয়োজন করে।প্রধান আলোচক হিসেব উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
 
বিএনপি নেত্রীর সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, 'তিনি বলেছেন দেশে নাকি উন্নয়ন হয়নি। বেগম জিয়ার প্রতি অনুরোধ আপনি তো লন্ডনে গেছেন চিকিৎসার জন্য। তাই দয়া করে ভালোভাবে চোখের চিকিৎসা করান। কারণ চোখের সমস্যার কারণে হয়তো দেশে যে এতো উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে তা সমগ্র বিশ্ব দেখলেও আপনি দেখতে পারছেন না। অথবা দেখেও স্বীকার করতে চাইছেন না।'
 
খালেদা জিয়াকে অপরাজনীতির নেত্রী উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, 'লন্ডন থেকে ফিরে নাকি তিনি আন্দোলনে নামবেন।দেশের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলছি, বেগম জিয়ার আন্দোলন মানে মানুষ হত্যা, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, বাসে-রেলে অগ্নিসংযোগ। আর সম্প্রতি তারা শুরু করেছে গুপ্তহত্যা। তাই এ অপরাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।'
 
প্রয়াত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আখাতারুজ্জামান বাবু স্মরণে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, '৭৫ পরবর্তী কঠিন সময়ে যে কজন নেতা শক্ত হাতে আওয়ামী লীগের হাল ধরে রেখেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলে বাবু ভাই। বাবু ভাইয়ের মতো ব্যক্তি জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে ছিল বলেই দীর্ঘ ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকেও আওয়ামী লীগ দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে টিকে থাকতে পেরেছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পেরেছে।যেখানে পৌনে সাত বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে বিএনপির নেতৃবৃন্দের অনেককেই এখন খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনি কি দলের চেয়ারপার্সন আদৌ দেশে ফিরবেন কিনা তা নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা সন্দিহান।'
 
সংগঠনের সভাপতি ও কেন্দ্রিয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম বদির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এরশাদুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন শাহজাহান চৌধুরী, গিয়াসুদ্দিন খান, এম এ করিম, সিরাজুল করিম, শাহজাদা মহিউদ্দিন, অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।