বায়ার্ন মিউনিখের কাছে রেকর্ড ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বাদ পড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে আর্সেনাল। ইউরোপের সর্বোচ্চ আসরে গ্রুপ পর্বে এত বড় ব্যবধানে এর আগে কখনই পরাজিত হয়নি গানার্সরা।
দুই সপ্তাহ আগে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে পরাজিত পেপ গার্দিওলার বায়ার্ন যেন প্রতিশোধের জন্য মুখিয়ে ছিল। চলতি মৌসুমে এটা ছিল বাভারিয়ানদের একমাত্র পরাজয়। ম্যাচে টমাস মুলারের জোড়া গোল করেছেন এবং অপর তিনটি গোল করেছেন রবার্ট লেওয়ানদোভস্কি, ডেভিড আলাবা ও আরিয়েন রবেন। ম্যাচ শেষে মুলার বলেছেন, এটি আমাদের মূল ম্যাচ ছিল, এই ম্যাচে জিততে না পারলে পরের রাউন্ডে ওঠা কঠিন হয়ে যেত। পরের ম্যাচে জিততে পারলেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত হবে। সে কারণেই আজকের রাতটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
IMG0
ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার অলিভার জিরু ৬৯ মিনিটে আর্সেনালের পক্ষে সান্তনাসূচক একটি গোল করেন। তবে তার আগে চার গোল করা বায়ার্নের জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ৮৯ মিনিটে শেষ গোলটি করেন মুলার। এই ম্যাচের পরে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় মুলার ও লেওয়ানোদোভস্কি মিলে বায়ার্নের হয়ে ৩১ গোল করেছেন।
২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসি মিলানের কাছে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হবার পরে ইউরোপে এটাই আর্সেনালের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়। আর্সেনালের জার্মান সেন্টার ব্যাক পার মারটেসাকার বলেছেন, শুরুতেই গোল পাওয়ায় বায়ার্নের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। আজকের ম্যাচে হোম ম্যাচের তুলনায় আমাদের আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি ছিল।
IMG1
চার ম্যাচে তিনটিতেই পরাজিত হয়ে মাত্র ৩ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনাল বর্তমান গ্রুপ-এফে তলানিতে রয়েছে। শুধুমাত্র গাণিতিক পরিসংখ্যানই পারে তাদের নক আউট পর্ব নিশ্চিত করতে। দিনের অপর ম্যাচে অলিম্পিয়াকোস ২-১ গোলে ডায়নামো জাগরেবকে পরাজিত করে বায়ার্নের সমান ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে গোল ব্যবধানে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ডায়নামোর সংগ্রহে রয়েছে ৩ পয়েন্ট। শেষ দুটি ম্যাচে গানার্সদের সামনে জয়ের বিকল্প নেই। দুই সপ্তাহ পরে ঘরের মাঠে ডায়নামোকে আতিথ্য দেবার পরে শেষ ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে তাদের মাঠে গিয়ে খেলবেন আর্সেন ওয়েঙ্গারের শিষ্যরা। বাসস।
