প্রথমবার সফল আয়োজনের পর এবছর আবারও আয়োজিত হতে হচ্ছে এসডি এশিয়া আয়োজিত ‘গ্রামীণফোন ইনোভেশন এক্সট্রিম’। আসছে ডিসেম্বরের ৫ তারিখে বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সমাজকে বিনিয়োগকারী, দেশি-বিদেশি মিডিয়া, কর্পোরেট প্রফেশনালদের সামনে তুলে ধরবে এই ইভেন্ট।
‘বাংলাদেশ :দ্যা নেক্সট টেক ফ্রন্টিয়ার’ থিম নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ বছরের ইভেন্ট। এই ইভেন্টের মাঝেই ‘ইনোভেশন ইন বাংলাদেশ’ থিম নাম নিয়ে নতুন স্টার্ট-আপগুলো তাদের প্রোজেক্ট শোকেস করার সুযোগ পাবে। ইভেন্টে আরও থাকবে সফলতার গল্প। এ বছরের ইভেন্টে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে টেক এবং আইটি স্টার্ট-আপগুলোকে। শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, ডেভেলপার, কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব, বিনিয়োগকারী, এনজিও, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দেশ-বিদেশের মিডিয়া ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে এবারের ইভেন্টে। আয়োজনে সেরা পাঁচ স্টার্ট-আপ পুরস্কার হিসেবে পাবে ফেসবুকের প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন ডলার সমমানের স্টার্ট-আপ প্যাকেজ।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৪ সালে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমানের আইটিইএস রপ্তানি করেছে, যা আগামী তিন বছরের মধ্যে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ নিজেই নিজের প্রতিষ্ঠান চালানো শুরু করবে এবং গ্লোবাল বিজনেস কমিউনিটিতে সম্মানজনক স্থান অর্জন করে নিবে।
‘ইনোভেশন এক্সট্রিম’ ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ডিসেম্বরের ৫ তারিখ। হোটেল র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনকে এই ইভেন্টের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণফোনের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ইভেন্টটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকবে ফেসবুক এবং টেক ইন এশিয়া।
এসডি এশিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান ফাইন্যানশিয়াল অফিসার ফায়াজ তাহের বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এবারের ইনোভেশন এক্সট্রিম গতবারের চেয়েও বড় পরিসরে হতে যাচ্ছে যা নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। সেরা ২০টি স্টার্ট-আপ তাদের প্রোজেক্ট দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরতে পারবে। আমি নিজেও এই ইভেন্টে সব স্টার্ট-আপ, বিনিয়োগকারীদের সাথে দেখা করার জন্য মুখিয়ে আছি।’
