বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে : উইলিয়াম টড

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৫, ১৭:৩০
 
'বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে যেমন, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে আমরা একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একই লক্ষ্যের দিকে কাজ করি।' যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী উইলিয়াম ই টড তার বাংলাদেশ সফরে এ কথা বলেন।
 
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা বিষয়ক পরিচালক ক্লিনটন ব্রাউনকে সঙ্গে নিয়ে নভেম্বরের ৪ থেকে ৬ তারিখ বাংলাদেশ সফর করেন তিনি। এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নভেম্বরের ৮ তারিখ শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।
 
ঢাকায় অবস্থানকালে মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী টড বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা অবস্থা ও আঞ্চলিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। টড বলেন, 'আমাদের উভয় দেশই উপকৃত হয় যখন একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করি, যেমনটি আমরা অনেক বিষয়েই করে থাকি। বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে যেমন, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে আমরা একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একই লক্ষ্যের দিকে কাজ করি। সাম্প্রতিক দশকে আমাদের এই দুটি দেশের মধ্যকার অংশীদারিত্বের ফলে যা অর্জিত হয়েছে তাতে আমি গর্বিত এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে আজকে আমরা যে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছি তা আমরা একত্রে মোকাবেলা করব।  আমাদের জনগণের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান বন্ধন প্রতীয়মান করে যে আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক অনেক  প্রতিশ্রুতিপূর্ণ।'
 
এই দায়িত্বের ঠিক আগে মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী টড কম্বোডিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যেখানে তিনি গণতন্ত্রের অগ্রসরতা, মানবাধিকার, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও বানিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়াতে লক্ষ্য নিবিষ্ট করেন।  কম্বোডিয়াতে তার দায়িত্ব পালনের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কাবুলের উন্নয়ন ও অর্থনীতি বিষয়ক সমন্বয় পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।  মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী টড যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। পনের বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করছেন।