আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে জাতিসংঘের ইউনেস্কো'র সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদা পেল। এটি এখন ইউনেস্কো’র দ্বিতীয় ক্যাটাগরির ইনস্টিটিউট। শনিবার ইউনেস্কো’র সদর দফতরে ৩৮তম সাধারণ অধিবেশনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটকে ইউনেস্কো’র ক্যাটাগরি-২ ইনস্টিটিউটে উন্নীত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে।
অধিবেশনে সর্বসম্মতভাবে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে ২০১৫-১৭ মেয়াদে ইউনেস্কো’র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়েছে। চলমান অধিবেশনে জাতিসংঘের ১৯৫টি দেশ ও ৮টি সহযোগী দেশের শিক্ষামন্ত্রীগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন।
ইউনেস্কো’র ক্যাটাগরি-২ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এখন থেকে এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রসারিত হবে। ইউনেস্কো পরিচালিত ‘মাতৃভাষা-আশ্রয়ী শিক্ষা’, ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা’ ইত্যাদি কার্যক্রমে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এখন থেকে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি ইউনেস্কো’র লোগো ব্যবহার করতে পারবে। ইউনেস্কো’র সঙ্গে পারস্পারিক জ্ঞান বিনিময় ছাড়াও দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। বিভিন্ন দেশের বিলুপ্তপ্রায় ভাষা সংরক্ষণ, লালন ও সম্প্রসারণেও এ প্রতিষ্ঠান কাজ করবে। বিশ্বে এধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন ৯৫টি। এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আছে ৪টি।
১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে সারা বিশ্বে এ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।
