সংসদ, সংবিধান ও রাষ্ট্র নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দিলে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান করার কথা বিবেচনা করছে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘সরকার যদি বিবেচনা করে যে, কোনো এনজিও সংসদ, রাষ্ট্র, বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অশালীন ও অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হবে। কমিটিও এটা বিবেচনা করছে।’
গত ১ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে ওঠার পর পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। সোমবার সংসদ অধিবেশনে এক অনির্ধারিত আলোচনাতেও ওই বিধান নিয়ে কথা বলেন সুরঞ্জিত।
এনজিওগুলোর সমালোচনা করে সুরঞ্জিত বলেন, ‘এনজিওগুলো এমন অবস্থা ধরছে যে- আমার ঘরের ছাও, আমারে খাইতে চাও। তারা সরকার ও রাষ্ট্রের প্যারালাল হয়ে উঠছে। এই অধিকার তাদের নেই। তাদের কাজ সেবামূলক কাজ করা। নির্বাচন নিয়ে কথা থাকতেই পারে। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলো কথা বলবে। এর মধ্যে এনজিও কেন? ড. ইফতেখার কিছু কথা বলেছেন যা অগ্রণযোগ্য ও অবমাননাকর।’
প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর ‘পার্লামেন্ট ওয়াচ’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে টিআইবি বলে, বর্তমান সংসদ ক্ষমতাসীন দলের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের ভুবনে পরিণত হয়েছে। সংসদের বাইরের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাতিষ্ঠানিক ফোরামে পরিণত হয়েছে।’ সংসদকে ‘পুতুল নাচের নাট্যশালা’ আখ্যায়িত করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
