মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ‘জিহাদি জন’

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৫, ১৭:১৩
জিহাদি জন’ নামে পরিচিত ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেয়া ব্রিটিশ নাগরিক আরও তিন বিদেশি জঙ্গিসহ মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর রাকায় এই বিমান হামলা চালানো হয় বলে শুক্রবার যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে।
 
২০১৪ সালে এক মার্কিন সাংবাদিকের মস্তক নিমেষের মধ্যে দেহ থেকে আলাদা করে দিয়েছিল আইএস জঙ্গি জিহাদি জন। জীবন্ত অবস্থাতেই ফিনকি দিয়ে রক্ত ছিটকে পড়েছিল চারিদিকে। সারা বিশ্বকে নির্মম এই হত্যালীলার ভিডিও নাড়িয়ে দিয়েছিল। এর পরপরই ইসলামিক স্টেট গ্রুপের জিহাদিদের দমনে মার্কিন প্রশাসন আরো তৎপর হয়ে উঠেছিল। কিন্তু তার পরই একই কায়দায় আরো এক সাংবাদিককে খুন করা হয়। তখন থেকে অনেক খোঁজ চলেছে। কালো কাপড়ের আড়ালে থাকা এ সন্ত্রাসবাদীকে পরে চিহ্নিতও করা গিয়েছে। আইএস জঙ্গি মুহাম্মদ এমওয়াজি। বিশ্ব যাকে ‘জিহাদি জন’ নামেই চেনে। 
 
সিরিয়ান অবজারভেটরির পরিচালক রামি আবদুল রহমান বলেন, রাকা শহরের গভর্নর ভবনের সামনে ইসলামিক স্টেটের চারজন বিদেশিকে বহনকারী একটি গাড়ি মার্কিন বিমান হামলার শিকার হয়। চারজন বিদেশি জঙ্গির একজন ব্রিটিশ জিহাদি। তিনি আরো বলেন, ওখানকার সবসূত্রই বলছে, একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ জিহাদির লাশ রাকার হাসপাতালে রয়েছে। সবগুলো সূত্রই বলছে, এটি জিহাদি জনের লাশ। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে এটি নিশ্চিত করতে পারছি না।
 
IMG0
 
এর আগে পেন্টাগনের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, সিরিয়ার রাকার কাছে এই কুখ্যাত জঙ্গিকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। ইমওয়াজিকে আইএসের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে পশ্চিমা বন্দিদের শিরশ্ছেদে হত্যা করতে দেখা গেছে। আর এরপরই তাকে ধরার জন্য বিশ্বব্যাপী অভিযান শুরু হয়।  পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা এখনো বিমান হামলার ফলাফল মূল্যায়ন করছে।  পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি পিটার কুক বলেন, এটি প্রাথমিক তথ্য। বাসস ও বিবিসি।