ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস ও অন্যান্য এলাকায় শুক্রবার রাতে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, বার ও কনসার্টে হামলাগুলো চালানো হয়। এ হামলায় অন্তত ১২০ জন নিহত হয় বলে বিভিন্ন খবরে প্রকাশ করা হয়েছে।
এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মরকেলসহ বিশ্বনেতারা।
হামলার সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ স্টেড ডি ফ্রান্স স্টেডিয়ামে বসে ফ্রান্স-জার্মানির মধ্যকার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ দেখছিলেন। স্টেডিয়ামের কাছাকাছি এলাকায় দুইটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
হামলার পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট তৎক্ষণাৎ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে এবং সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এ হামলাকে ‘জঘন্য’ উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের পাশে আছে।
ওবামা বলেন, নিরপরাধ বেসামরিক লোকজনকে ভীতসন্ত্রস্ত করার জন্য আরেকটি জঘন্য চেষ্টা আমরা ফ্রান্সে দেখলাম। ফ্রান্সের সরকার ও জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। আমরা এসব সন্ত্রাসীর বিচারের সম্মুখীন করতে এবং যেকোনো সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে শায়েস্তা করার জন্য প্রস্তুত।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, ফ্রান্সে হামলায় তিনি ‘হতভম্ব ও ব্যথিত’ হয়েছেন।
এক টুইটার বার্তায় তিনি লেখেন, ফ্রান্সের জনগণের জন্য আমাদের সহমর্মিতা ও প্রার্থনা রইল। তাদের সাহায্য করার জন্য যা যা করণীয়, আমরা তা-ই করব।
জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মরকেল জানিয়েছেন, ফ্রান্সে সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনি পুরোপুরি ‘হতভম্ব’।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গ, তাদের পরিবার ও প্যারিসের সব জনগণের জন্য আমার সহমর্মিতা রইল। জার্মানি তাদের পাশে থাকবে।
