দেশের রফানিমুখী ৮০ শতাংশ কারখানায় ভবন ও অগ্নি নিরাপত্তায় সংস্কারকাজ করতে হবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
সমপ্রতি বাংলাদেশ সরকার ও আইএলওর উদ্যোগে প্রায় দেড় হাজার কারখানা পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—৮০ শতাংশ কারখানা নিরাপদ।
বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস বি রেড্ডির বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়—৮০ শতাংশ কারখানার প্রায় সবগুলোকেই অগ্নি ও বৈদ্যুতিক সংস্কারকাজ করতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিগগিরই কারখানাগুলোকে সংস্কারকাজের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অধীনে আসতে হবে।
যদিও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহমেদ এর আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন—রফতানিমুখী ৮০ শতাংশ কারখানাই নিরাপদ।
রেড্ডির মূল্যায়ন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন—৮০ শতাংশ কারখানা ভবনের কাঠামো নিরাপদ। তবে এসব কারখানার অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার জন্য সংস্কার কাজ করতে হবে।
রানা প্লাজা ধসের পর বিদেশি ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর উদ্যোগে তাদের অর্ডার সরবরাহ করে এমন প্রায় ২ হাজার কারখানা পরিদর্শন ও সংস্কার কার্যক্রম তদারক করছে। বাকি প্রায় ১ হাজার ৫০০ কারখানার নিরাপত্তা মান পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় সরকার ও আইএলওর উদ্যোগে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি। ওই দেড় হাজার কারখানা পরীক্ষার মূল্যায়ন নিয়ে সোমবার সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হয়। ওই দিন রেড্ডিও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন—পুরো গার্মেন্টস খাত এখন পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছি। এখনো কিছু ঝুঁকি রয়েছে। পরিদর্শন প্রতিবেদন দেখাচ্ছে, কোথায় কোথায় পরিবর্তন করতে হবে।
