জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে ফ্রান্স। প্যারিসে গত শুক্রবার হামলায় শতাধিক নিহত হওয়ার পর দেশটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাচ্ছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সারা দেশে সোয়া লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। দেশটি এর আগে সামরিক বাজেট কাটছাঁট করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা থেকে সরে আসছে। এদিকে প্যারিসে হামলায় এক মার্কিন ছাত্রী নিহত হয়েছে। ফ্রান্স ছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ব্রিটেনও।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নার্ড ক্যাজেনিউভি জানিয়েছেন, দেশজুড়ে ১ লাখ ১৫ হাজার কর্মী টহল দেবে। তিনি জানান, দেশজুড়ে সন্ত্রাসীদের ধরতে ১২৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। সিরিয়ায়ও বিমান হামলা জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, হামলায় প্রধান সন্দেহভাজন সালাহ আবদেসলামকে ধরতে বড় ধরনের অভিযান চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, আবদেসলাম সীমান্ত পার হয়ে নিজ দেশ বেলজিয়ামে চলে গেছে। বেলজিয়ামের পুলিশও তার অনেক ছবি প্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের সীমান্তে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন। প্যারিসে হামলায় নিহত ছাত্রীর নাম নোহেমি গোনজালেজ। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছেন, দেশটির বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীকে অতিরিক্ত দুই বিলিয়ন পাউন্ড দেয়া হবে। এই অর্থ দিয়ে অস্ত্র, নতুন নতুন যান এবং হেলিকপ্টারসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম কেনা হবে। প্যারিসের হামলার পুনরাবৃত্তি রোধে সব ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। - বিবিসি, দ্য টেলিগ্রাফ, ডয়চেভেলে ও ডেইলি মেইল অনলাইন।
