কানাডা সেনাবাহিনীর স্থলপ্রশিক্ষণে গুরুত্বের সিদ্ধান্ত

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৫, ১৮:৫৫
 
সিরিয়ায় আইএস-বিরোধী অভিযানে কানাডা সেনাদল স্থলপ্রশিক্ষণে আরো বেশি গুরুত্ব আরোপ করবে। খবর বিবিসির।
 
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা এ বার্তা দিতে চাই যে, সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানে যৌথ বাহিনীকে আরো সোচ্চার হতে হবে।’
 
জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘এ লক্ষ্যে সিরিয়ায় সেনা প্রশিক্ষণকালে জঙ্গি দমনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বোঝানো হবে।’
 
 
প্যারিস হামলার পর বিভিন্ন দেশ আইএস-বিরোধী অভিযান জোরদার করে। এর পাশাপাশি কানাডাও ঘোষণা দেয়, তারা সেনাপ্রশিক্ষণকালে আইএস-বিরোধী মনোভাব মাথায় রেখে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাবেন। বর্তমানে তাদের সিরিয়ায় কুর্দি পেশরেগা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য ৬৯ জন প্রশিক্ষক রয়েছে। তবে নতুন সামরিক রণকৌশল অনুযায়ী কানাডা সঠিক কোনো পথে এগোবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কিছু করে বলেননি।
 
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে এটাই নিশ্চিত করা হবে যে, কানাডা আইএসের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সোচ্চার। 
 
এ দিকে, সিরীয় শরণার্থীদের নেয়ার বিষয়ে কানাডা আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিল, তারা ২৫ হাজার শরণার্থীকে নেবে। যদিও এই ঘোষণার সমালোচনা করেছে কিউবেক ও সাকাচেন প্রদেশ। তাদের বক্তব্য—এর মাধ্যমে কানাডার নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যাও বাড়বে। কেননা, প্যারিস হামলাকারীদের মধ্যে একজন সিরীয় শরণার্থীর ছদ্মবেশে সে দেশে প্রবেশ করেছিল বলে বিভিন্ন বার্তা সংস্থার খবর বলা হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা শরণার্থী নেয়ার বিষয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
 
কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবকিছুর ওপরে আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’