দুই সপ্তাহ আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আটক পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই'র সন্দেহভাজন এজেন্ট আখতার খানের কাছে পাকিস্তানের একটি জাতীয় ব্যাংকের এটিএম কার্ড পাওয়া গেছে। কলকাতা পুলিশের তদন্তে জানা যায়, ভারতে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে এই কার্ড থেকেই অর্থ পৌছাত আখতারের কাছে।
গত ১৪ নভেম্বর আখতার খানকে উত্তর কলকাতা থেকে আটক করা হয়। আখতারের সঙ্গে তার ভাই জাফর খানকেও আটক করা হয়। দুই ভাই মিলে আইএসআইয়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করার জন্য সদস্য সংগ্রহ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিক রফতানির কাজও করত।
করাচিতে অবস্থিত পাকিস্তানের একটি জাতীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে আখতার খানের কাছে থাকা এটিএম কার্ডের বিপরীত প্রচুর অর্থ জমা হত। আর আখতার কলকাতায় বসে প্রতি ২-৩ মাস পরপর ৪-৫ লাখ ভারতীয় রুপি গ্রহণ করত।
জিজ্ঞাসাবাদে আখতার খান স্বীকার করেছেন প্রতিটি অ্যাসাইনেমেন্টের জন্য তিনি যে ৪-৫ লাখ টাকা পেতেন তা আসত দুবাইয়ের এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে। তার কাজ ছিল স্থানীয় এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা। এ ছাড়া আখতার ও তার ভাই পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম এলাকা থেকে তরুণদের সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে রফতানি করত।
আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করার জন্য সংগৃহীতদের আখতার প্রথমে নিজে মগজ ধোলাই করত। এরপর প্রশিক্ষণের জন্য তাদেরকে পাকিস্তানে পাঠানো হত। আখতারকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পাঠানো হবে বলে জানায় কলকাতা পুলিশ।
