ব্লু ইকোনমি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের প্রশংসা

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৫, ২১:১১
ব্লু ইকোনমি (সমুদ্র অর্থনীতি) ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী মি. ভিরাসাকদিফুতরাকুল এবং ইউএনইএসসিএপি’র (UNESCAP) নির্বাহী সচিব ড. শামসাদ আখতারসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। গত ২২ নভেম্বর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এক আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় সরকারে এই প্রশংসা করা হয়।
 
থাইল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (IUCN) এর এশিয়া দফতর ব্যাংককের ‘অ্যা থিমেটিক কনসালটেশন অন ব্লু ইকোনমি ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স: টুওয়ার্ডস পার্টনারশিপ অ্যান্ড কোলাবোরেশনস’ শিরোনামে আঞ্চলিক পরামর্শ সভাটির আয়োজন করে।
 
এতে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, পাকিস্তান, সিসেলিস, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেনসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মোট ১৩টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া UNESCAP, IUCN, UNDP, FAO, UNEP এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর আঞ্চলিক দফতর প্রধানরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
 
এতে প্রধান ধারণাপত্রটি পাঠ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামুদ্রিক সম্পর্ক ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খোরশেদ আলম। এসময় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনজনিত হুমকি এবং টেকসই ও গণমুখী উন্নয়ন ধারনার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়কে সচেতন করে তোলার ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
 
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দা মুনা তাসনিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামুদ্রিক অর্থনীতিতে এক নতুন ও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আর বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ওই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে’।