এ বছরের শেষ নাগাদ মাত্র ১০ হাজার শরণার্থী আশ্রয় দিবে কানাডা। এর আগে সিরিয়ার ২৫ হাজার নাগরিককে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দেশটি। এদিকে সরকার একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত নারী, শিশু ও পরিবারগুলোর পুনর্বাসন করবে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কানাডার নবনির্বাচিত লিবারেল সরকারের নির্বাচনী প্রচারণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা ছিল শরণার্থীদের পুনর্বাসন। তবে শরণার্থী নিতে দেরি হওয়ার বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোন কারণে তারা দেরি করছেন না।
ওদিকে একক পুরুষদের গ্রহণ করা হবে না, এমন কথা অস্বীকার করেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। 'আমরা চাই, তাদের মাথার উপর ছাদ থাকবে এবং তারা তাদের অধিকার ভোগ করবে'- বলেন অভিবাসন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক মন্ত্রী জন ম্যাককালাম। তিনি আরো বলেন, 'সবার জন্য সঠিকভাবে জায়গার ব্যবস্থা করতে কিছুটা সময় লাগবে। আমাদের দেশে নতুন বন্ধুদের আনার লক্ষ্যে পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন ঘটাতে আরেকটু সময় নিতে পারছি বলে আমরা খুশি।'
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, কানাডায় প্রবেশযোগ্যতা হিসেবে বিদেশিদের দৈহিক সুস্থতা এবং নিরাপত্তা বিষয়টির চুলচেরা বিশ্লেষণ নিশ্চিত করা হবে। তাদেরকে সামরিক ও বেসরকারি বিমানে করে আনা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা অথবা তুর্কি সরকারের নিবন্ধিত শরণার্থীরাই সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পাবে। ৩৬ টি শহরে তাদেরকে পুনর্বাসিত করা হবে। এর মধ্যে ১২ টি শহরই কুইবেকে অবস্থিত।
প্যারিসে হামলার কারণে সিরীয় শরণার্থীদের অভিবাসন কার্যক্রমের গতি ধীর হয়ে পড়তে পারে এমন কথা নাকচ করে দিয়ে মন্ত্রী ম্যাককালাম বলেন, এটা সরকারের সিদ্ধান্তে কোন প্রভাব ফেলবে না। তবে সরঞ্জাম সংক্রান্ত সমস্যার জন্য তাদের একটু সময় লাগছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে প্যারিস হামলার পর প্রধানমন্ত্রী সিরিয়া ও ইরাকে কানাডীয় বিমান হামলা বন্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনরায় ব্যক্ত করেন। সূত্র: আল জাজিরা
