নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় সংখ্যালঘু এক পরিবারের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ উভয়পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন। এ সময় হামলা চালিয়ে ওই পরিবারের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন।আহতরা হলেন, আনো বালা (৩৫), গোলাপী রানী (১৮), শান্ত রায় (৩০), কান্দুরা বৈশ্য (৪৫)।
ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হিন্দু পরিবারের সদস্যরাসহ স্থানীয় জনগণ সড়ক অবরোধ করে। পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় তারা। ঘটনাটি পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের বাবুল্যা টারী বৈশ্যপাড়া এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় গরু চড়ানোকে কেন্দ্র করে এলাকার সুকুমারের স্ত্রী আনো বালার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সাইদুল ইসলামের স্ত্রী সেরিনা বেগমের বাক্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সুকুমারের বাড়িঘর ভাঙচুর করে প্রতিপক্ষ। পরে দুপুরে স্থানীয় পৌর শহরের জিরোপয়েন্টে সড়ক অবরোধ শেষে এক সভা হয়।
এতে উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবু নির্মলেন্দু রায়, উপজেলা আওয়ামী মৎসজীবী লীগ সাধারণ সম্পাদক কুলো চন্দ্র রায়, সুখচাঁদ রায় প্রমুখ বক্তব্য দেন।
জলঢাকা থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, এ ঘটনায় মামলারে প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোখলেছার রহমান (৩৫) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
