অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারলে দুর্নীতি অনেক কমে আসবে। এটা দুর্নীতি কমানোর একটি হাতিয়ার হতে পারে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘১১তম গভর্মেন্ট ডিসকাশন ফোরাম ফর ইলেকট্রনিক আইডেনটিটি-২০১৫’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আমি একটি নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে ছিলাম। অনেক শিক্ষার্থী আছে সেখানে। কিন্তু শিক্ষকদের বেতন দিতে পারে না। এরপর ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটাল করে দিলাম। ভর্তি বাবদ ঐ প্রতিষ্ঠানের আয় ৮০ হাজার থেকে আট লাখে চলে গেল।
তিনি বলেন, আমরা সম্প্রতি আইসিটি যুগে প্রবেশ করেছি। আমাদের একটু দেরি হয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ডিজিটাল কার্যক্রমের চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে অনেক ক্ষেত্রে সফলতাও এসেছে। বিশেষ করে লেনদেন প্রক্রিয়া অনেক এগিয়েছে। ব্যাংকিং, মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস, আয়কর পরিশোধ, রিটার্ন দাখিল, অ্যাডমিশন ফিস, টেন্ডার ফিস ইত্যাদিতে আমরা অনেক এগিয়েছি। অন্যান্য খাতেও অগ্রগতি হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র করার কাজ হাতে নেওয়া হয়। যেটাকে এখন স্মার্ট আইডি কার্ড করা হচ্ছে। এসব কার্ডে নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি তথ্য থাকবে। এই কার্ড হবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও কমপ্লায়েন্স। এতে নাগরিকদের সেবা দেওয়া যেমন সহজ হবে, তেমনি জবাবদিহিতা ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে।
সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ ও এশিয়া প্যাসিফিক স্মার্ট কার্ড অ্যাসোসিয়েশন (এপিএসসিএ) যৌথভাবে এ ফোরামের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিয়োগাযোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, এপিএসসিএ চেয়ারম্যান গ্রেগ পোট প্রমুখ।
