মার্কিন নেতৃত্বাধীন যুদ্ধজোট ন্যাটোতে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে মন্টিনিগ্রো। গত ছয় বছরের মধ্যে ন্যাটো সম্প্রসারণের এটিই প্রথম উদ্যোগ। ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে ন্যাটো মন্টিনিগ্রোয় বোমা বর্ষণ করেছিল। তখন যুগোস্লাভিয়া থেকে দেশটি আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।
মন্টিনিগ্রোকে যুক্ত করার এই আমন্ত্রণকে ন্যাটো প্রধান জ্য স্টোলেনবার্গ 'ঐতিহাসিক' হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে বলকান অঞ্চলে ন্যাটো সম্প্রসারণ না করতে একাধিক বার সতর্ক করেছে রাশিয়া। এর ফলে পশ্চিম বলকানে স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে বলে হুঁশিয়ার করেছিল দেশটি।
এর আগে ২০০৯ সালে সর্বশেষ পূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া ন্যাটোতে যোগ দিয়েছিল। মন্টিনিগ্রোর ন্যাটো জোটে যোগ দেয়ার প্রক্রিয়া শেষ করতে এক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
পাহাড়ি এলাকা নিয়ে গঠিত মন্টিনিগ্রোর জনসংখ্যা মাত্র সাড়ে ছয় লাখ। দুই হাজার সক্রিয় সদস্যের ছোট্ট সেনাবাহিনী রয়েছে দেশটির। তবে আলবেনিয়ার ন্যাটোতে যোগ দেয়ার প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে। জোটে কূটনীতিকরা বলেছেন, জোট সম্প্রসারণে রাশিয়া বাধা দিতে পারে না এমন একটি বার্তা দেয়াই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
ন্যাটোতে যোগ দেয়া নিয়ে মন্টিনিগ্রোর জনগণ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। ১৯৯৯ সালে কসোভোয় গণহত্যা বন্ধ করতে মন্টিনিগ্রোয় ন্যাটোর বোমাবর্ষণে অনেকেই ক্ষুব্ধ। যুদ্ধের সময় সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর নিয়ন্ত্রণে ছিল কসোভো। সূত্র: বিবিসি
