অবকাঠামো সমস্যায় গাড়ির গড় মাইলেজে পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৯:৩৯
 
অবকাঠামো সমস্যায় বিশ্বব্যাপি গাড়ির মাইলেজের দিক থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে কারমুডির করা এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
 
এই গবেষণায় জানানো হয়, বাংলাদেশে গাড়ির গর মাইলেজ ২০ হাজার কিলোমিটার যেখানে বিশ্বব্যাপি কারমুডির অন্যান্য গাড়িগুলোর মাইলেজ ৪২ হাজার ১৩৬ কিলোমিটার। আর এত বেশি পার্থক্যের কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়েছে দেশের অবকাঠামোকে।
 
গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে মোট জিডিপি'র ৭ ভাগ খরচ হয়ে যায় যানজটের কারণে। সেখানে জানানো হয়, দেশের শহরগুলোতে এর কার্যকর সমাধান খুবই জরুরি। পাবলিক যানবাহন, ট্রাফিক আইনের অভাবে এবং রাস্তায় অতিরিক্ত গাড়ি থাকায় ঢাকা শহরে পরিবহন পরিকল্পনার উপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করতে দৈনিক নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। ব্যস্ত শহর ও আঁকাবাঁকা রাস্তায় গাড়ি চালানোর কারণে জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যায়। ট্রাফিকে যানজট ও নিম্নসাশ্রয়ী জ্বালানির কারণে বাংলাদেশে গাড়ির মাইলেজ কম।
 
দেশের সার্বিক গড় মাইলেজ দেখার পর, কারমুডি গাড়ির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উপর ভিত্তি করে মাইলেজের পার্থক্য দেখিয়েছে। কারমুডির সাইটে অবস্থিত জাপানি ব্র্যান্ডগুলো সাধারণত বেশি চালানো হয়েছে, যেমন মিতসুবিশি, হোন্ডা এবং টয়োটা। এই গাড়িগুলোর মাইলেজ ১৭,০০০ থেকে ২০,০০০ কিলোমিটার। অন্যদিকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নিসানের মাইলেজ ৩৯ হাজার কিলোমিটার!
 
কারমুডি তার এই গবেষণায় জ্বালানী ব্যবহারের ধরণের (ফুয়েলটাইপ) উপর ভিত্তি করে মাইলেজের পার্থক্য বের করেছে। সেখানে দেখা যায় ডিজেল ভিত্তিক গাড়ির মাইলেজ সবচেয়ে বেশি (৩৪,৯০০ কিমি)। এরপরই আছে সিএনজি (৩৪,২৬১ কিমি), পেট্রোল (৩০,০০০ কিমি) এবং সবচেয়ে কম হল অকটেনে চালিত গাড়ির মাইলেজ (১৮,০০০ কিমি)। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিজেল সবচাইতে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য জ্বালানি হওয়ায় মাইলেজের পরিমাণ বেশি।
 
উল্লেখ্য, কারমুডি একটি আধুনিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস যা নতুন বা ব্যবহৃত গাড়ির ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি মেক্সিকো, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, নাইজেরিয়া, ঘানা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ক্যামেরুনে সম্প্রসারন লাভ করছে গাড়ি বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম হিসেবে।