ত্রুটি-বিচ্যুতি মুক্ত পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্নের ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেছেন, ‘অতীতে কিছুটা ক্রটি-বিচ্যুতি হলেও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আপালকালে জাবেদ আলী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পুরোপুরি সুষ্ঠু করতে কঠোর অবস্থানে থাকবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের সবকিছুই কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফলে অতীতের ভুল-ভ্রান্তি দূর করে ভালো একটি নির্বাচন করা হবে।’
নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়াও এ নির্বাচনে পর্যাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোথাও কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। প্রার্থী হওয়ার পরে তাদের অসুবিধাগুলো দেখব আমরা। যদি কোনো প্রার্থী অভিযোগ নিয়ে আসে, তাহলে প্রার্থীকে প্রার্থী হিসেবেই দেখা হবে; দল ও প্রতীক সেক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না। নিবন্ধিত দলগুলো নিজস্ব প্রতীক পাবে। অনিবন্ধিত দলের রাজনীতি করায় কোনো বাধা নেই। তবে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারে।’
চার মন্ত্রণালয়ে ইসির চিঠি
আগামী ৩০ ডিসেম্বরে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, অনুদান, বরাদ্দ বা অর্থ ছাড় ও ভিজিডি কার্ড বিতরণ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়ে চারটি মন্ত্রণালয় ও একটি সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে ইসি।
নির্বাচনপূর্ব সময়ে ভিজিডি ও ভিজিএফ কার্ড ইস্যু, ত্রাণ বিতরণ না করার ব্যবস্থা নিতে বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিকে পত্র দেয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব পারবেন না। কিংবা এ ধরনের কোনো সভায় তারা অংশ নিতেও পারবেন না। এছাড়া নির্বাচনপূর্ব সময়ে পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর বা অন্য কোনো পদাধিকারী সংশ্লিষ্ট এলাকায় উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্প অনুমোদন বা ইতোপূর্বে অনুমোদিত কোনো প্রকল্পে অর্থ ছাড় বা প্রদান করতে পারবেন না।’
