নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাথানাশক ওষুধ অ্যাসপিরিনে আলঝেইমারসহ সব ধরনের স্নায়বিক বৈকল্যজনিত রোগবালই নিরাময় সম্ভব। অ্যাসপিরিনের একটি উপাদান আলঝেইমার, পারকিনসন্স ও হান্টিংটন রোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোষের মৃত্যু ঠেকাতে সক্ষম।
অ্যাসপিরিন জিএপিডিএইচ নামের একটি অ্যানজাইমকে জুড়ে দেয়। ধারণা করা হয় স্নায়ুবৈকল্যজনিত রোগের ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালনকারী উপাদানগুলির একটি এই জিএপিডিএইচ।
ওই গবেষণার সহকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সলোমন স্নাইডার বলেন, ‘এতোদিন ধারণা করা হত জিএপিডিএইচ অ্যানজাইমটি শুধুমাত্র গ্লুকোজের হজমপ্রক্রিয়ায়ই কাজ করে। তবে এখন জানা যাচ্ছে যে, এই অ্যানজাইমটি আন্তকোষীয় সংকেত চালাচালিতেও কাজ করে’।
তিনি বলেন, ‘নতুন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, অ্যাসিপিরনসংশ্লিষ্ট ওষুধ স্যালিকাইলেটের একটি টার্গেট জিএপিডিএইচ অ্যানজাইম। ফলে এটি এ ধরনের ওষুধের চিকিত্সাগত কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট হতে পারে’।
স্যালিকাইলিক অ্যাসিড আবার অ্যাসপিরিনের প্রাথমিক একটি নির্মাণ উপাদান। ‘স্যালিকাইলিক অ্যাসিড এবং এর সমগোত্রীয় উপাদানগুলো কীভাবে মানবদেহের প্রধান প্রোটিনগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে তা যদি ভালোমতো বুঝা সম্ভব হয়, তাহলে প্রাণবিধ্বংসী বিভিন্ন রোগের স্যালিকাইলিক অ্যাসিড ভিত্তিক নতুন ও আরো উন্নত চিকিত্সা পদ্ধতিও উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে’।
পিএলওএস ওয়ান নামের জার্নালে ওই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
