সিরিয়ায় ব্রিটিশ অভিযানে ব্লেয়ারের সমর্থন

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৪:১২
কিছু দিন আগেই যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার স্বীকার করেছিলেন ইরাক অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেয়ার জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। কিন্তু সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের যোগ দেয়াকে সমর্থন করেছেন তিনি।
 
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের অনুমোদন দেয়ার পরেই গত বুধবারে সিরিয়ায় হামলা চালায় ব্রিটেনের বিমান বাহিনী। বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবারেও সাইপ্রাসের রয়েল এয়ার ফোর্সের আক্রোতিরি বিমানঘাটি থেকে দুটি টাইফুন ও দুটি টর্নেডো বিমান সিরিয়ার উদ্দেশ্যে উড়ে গেছে। তবে ওই অভিযানের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।  ব্লেয়ার এই সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া সমর্থন করে বলেন, প্রেক্ষাপট ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের চেয়ে ভিন্ন কারণ এখন সেখানে পশ্চিমাদের আরব সহযোগী রয়েছে সেখানে। তিনি বলেন, আমরা চাইলেও সিরিয়া যুদ্ধ থেকে সরে থাকতে পারতাম না কারণ নাটকীয়ভাবে আমাদের জাতীয় স্বার্থ জড়িত। প্যারিস হামলায় প্রমাণ করে যে তাদের শক্তি বাড়ানোর সুযোগ দেয়াতে তারা এখন ইউরোপে এসে পশ্চিমাদের উপরে হামলা করছে।
 
ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চালানো অভিযানের সঙ্গে বর্তমান সময়ের অভিযানের পার্থক্য রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। ৯/১১ এর পরে ওই অঞ্চলের দেশগুলো সবাই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত ছিল। এখনকার দেশগুলোর নিজেরাই উগ্রবাদীদের সমস্যার মধ্যে ভুগছে। তারা এখন জোটের সুযোগ দেখছে এবং আমরা দেখছি যা আগে সেখানে ছিল না।
 
টনি ব্লেয়ার এর আগে সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। তিনি স্বীকার করেন, ইঙ্গ-মার্কিন অভিযানই আইএস সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। 
 
টনি ব্লেয়ার অবশ্য সতর্ক করে দিয়েছেন যে পশ্চিমারা এর আগে সংঘর্ষের সময় ওই এলাকার একনায়কদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। এবার যাতে এমন ভুল না হয় সে আহ্বান করে তিনি বলেন, এই এলাকার সব ধরণের সুবিধা ও সুযোগ বঞ্চিত তরুণেরা এই অবস্থা সহ্য করবে না তাই আমাদের এখানে জড়িয়ে পড়াটা অবশ্যম্ভাবী। তবে প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কিভাবে যৌক্তিকভাবে এর সঙ্গে যুক্ত হব। বিবিসি।