দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে থাকা ফেসবুক চার ধাপ পিছিয়ে গেছে। এর আগে দেশে ইউটিউব বন্ধ করে দেওয়া হলেও অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে নিজের অবস্থানে অটুট ছিল।
কিন্তু এবার শীর্ষ সাইটের পতন হল মাত্র ১৫ দিনেই। বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ এখনো ভিপিএন বা প্রক্সি সম্পর্কে ধারণা রাখে না বলে পতনের মুখে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি। অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে এক নম্বরে রয়েছে গুগল, দুই নম্বরে গুগল বিডি, তিন নম্বরে ইউটিউব এবং শীর্ষস্থান হারিয়ে ফেসবুক এখন চার নম্বরে।
এই তালিকায় বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবত এক নম্বরে ছিল ফেসবুক। ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে যথারীতি দুই নম্বরে রয়েছে ফেসবুক। ভারতে রয়েছে তিন নম্বরে। নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ১৮ নভেম্বর থেকে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ থাকায় সামাজিক যোগাযোগের এ সাইটটির অবস্থান এক থেকে চার-এ নেমেছে। ১৫ দিন যাবত ফেসবুক বন্ধ থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে।
তবে কবে খুলে দেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। বর্তমানে কেউ কেউ অবশ্য বিকল্প প্রক্সি ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহার করলেও তার হার আগের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগের নিচে। এদিকে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার কমে যাওয়াতে প্রতিষ্ঠানটির এই এলাকা থেকে রেভিনিউও কমেছে। গত সপ্তাহে ফেসবুক ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানটির কাছে চিঠি লিখেছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
IMG0
এরই প্রেক্ষিতে আগামী সপ্তাহে ফেসবুক ভারত কার্যালয় থেকে আসছেন দুইজন কর্মকর্তা। তাঁদের একজন ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি ম্যানেজার দীপালি লিবারেন এবং আরেকজন ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার আইন বিশেষজ্ঞ বিক্রম লাংয়ে।
বাংলাদেশের ফেসবুক সংক্রান্ত বিষয়ে তদারকি করছেন ভারত, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর আঁখি দাশ।
তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রেরিত দুজন ফেসবুক প্রতিনিধি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক আহমেদ সিদ্দিকি এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।
