জঙ্গিদের অপপ্রচার বন্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৫, ০১:৪৫

বিশ্বে জঙ্গিরা তাদের অপপ্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করছে। এই অপপ্রচার বন্ধে এবং উস্কানিদাতাদের চিহ্নিত করতে সোশ্যাল মিডিয়ার রাজধানী বলে পরিচিত সিলিকন ভ্যালির সহায়তা চেয়েছে হোয়াইট হাউস। রবিবার ওবামা প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন। এছাড়া রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও এই কাজে সিলিকন ভ্যালির সহায়তা চেয়েছেন। আর ফেসবুক, টুইটার এবং গুগলও এব্যাপারে সহায়তা করতে এগিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

 
নাম প্রকাশ না করে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা বলেন, সন্ত্রাসবাদ উসকে দিতে সোশ্যাল মিডিয়াকে সামাজিক সক্রিয় ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে বিশ্বাস করি আমরা। এ বিষয়গুলো আরো ভালোভাবে অনুধাবনে প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একটি পদ্ধতি উন্নয়নের ব্যাপারে কথা বলবে হোয়াইট হাউস। ওই কর্মকর্তা বলেন, বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে সন্ত্রাসের পরিকল্পনা কার্যকর করতে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রযুক্তি খাতকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করা দরকার বলে মনে করছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
 

গত শুক্রবার ফেসবুক ইনকর্পোরেশন জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ায় হত্যাযজ্ঞের হোতা তাশফিন মালিক ফেসবুকে আইএসের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন। আর এটা এখন এফবিআই তদন্ত করছে। সম্প্রতি ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কমিশনের কর্মকর্তারা ফেসবুক, গুগল এবং টুইটার কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনলাইনে অপপ্রচার এবং আইএসের সদস্য সংগ্রহ বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। এই কোম্পানিগুলো কেবল তাদের নিজস্ব আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হলেই সেগুলো প্রচার বা প্রকাশ করে না। বাকি যে কেউ তাদের মতামতসহ যে কোনো বিষয় প্রচার বা প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাদের। কারণ তারা যদি এখন পশ্চিমা বিশ্বের দাবি মেনে নেন তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকেও একই দাবি আসবে।