ভারতের ঝাড়খণ্ডে ট্রেন ও গাড়ির সংঘর্ষে অন্ততপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯.৩০ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে মঙ্গলবার পুলিশ জানিয়েছে।
রাহারাপ্পার মন্দির দর্শন শেষে একটি পরিবার বলেরো গাড়িতে করে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। পুলিশ বলছে, রামগড় জেলার রেলক্রসিং-এ ওই পরিবারটিকে বহনকারী গাড়িটির চাকা রেললাইনে আটকে যায়। গাড়িটিতে থাকা যাত্রীরা বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই মুহূর্তেই দ্রুতগামী হাওড়া-ভোপাল ট্রেনটি গাড়িটিকে আঘাত করে ১০০ মিটারেরও বেশি টেনে নিয়ে যায়।
IMG0
ট্রেনের আঘাতে গাড়িটি টুকরো হয়ে যায়। একটি অংশ ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে যায়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রেনের ইঞ্চিন থেকে গাড়ির অংশটিকে আলাদা করা সম্ভব হয়।
রাঁচি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে ভুরকুন্ড রেল স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়িটিতে থাকা আরোহীরা দুর্ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। প্রায় তিনঘণ্টা পর ট্রেনটি ওই স্থান ছেড়ে গন্তব্যের উদ্দেশে পুনরায় যাত্রা করে। স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা প্রায় তিনঘণ্টা ওই রেলক্রসিং অবরোধ করে রেখেছিল। এনডিটিভি।
