রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেছেন, স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার সম্পর্ক ত্বরাম্বিত করেছে। দু’দেশের মধ্যেকার সকল অমীমাংসিত ইস্যু শিগগিরই সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরন আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি একথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে আব্দুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের সংস্কৃতি ও ইতিহাস একই। তিনি দু’দেশের জনগণের কল্যাণে সংস্কৃতি বিনিময়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি সম্প্রতি বন্যায় ভারতের জানমালের ক্ষয়ক্ষতিতে শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশ সব সময় ভারতের পাশে থাকবে।
দু’দেশের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি এবং হাইকমিশনার একমত প্রকাশ করেন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
আব্দুল হামিদ দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখার জন্য পঙ্কজ শরনের প্রশংসা করেন।
পঙ্কজ শরন বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশকে ভাল অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভারত সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়ে যাবে।
পরে শ্রীলংকার বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল গগন পাওলাসথি বুলাথসিংহালা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, দু’দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বাংলাদেশে সামরিক প্রশিক্ষণের সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রীলংকার সামরিক কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণে এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।
এয়ার মার্শাল গগন পাওলাসথি বুলাথসিংহালা বলেন, তার দেশের সামরিক কর্মকর্তারা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে। এতে তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
