রিপাবলিকান পার্টি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্যকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটির সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগন। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র বলেছেন, এমন মন্তব্য শুধুমাত্র আইএস-কে শক্তিশালী হতে সহায়তা করবে।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্দিনোতে আইএস সমর্থক দম্পতির হামলায় ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনার জের ধরে আলোচিত-সমালোচিত রিপাবলিকান প্রার্থী বলেছিলেন, মুসলিমদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেয়া উচিত নয়। তার এই মন্তব্যের কারণে পুরো মুসলিম বিশ্বতো বটেই মার্কিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব জায়গা থেকে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। এবার মার্কিন সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনও এক হাত নিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র পিটার কুক বলেন, এই ধরণের মন্তব্য শুধুমাত্র আইএস এর ‘ইসলাম বনাম যুক্তরাষ্ট্র’ ধারণাটিকেই প্রতিষ্ঠা করে। এবং যা আইএসকে শক্তিশালী করে এবং মুসলিম ধর্ম বিশ্বাসীদের আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে তা শুধু আমাদের মূল্যবোধ বিরোধীই নয় বরং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিও সমালোচনায় যোগ দিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘গঠনমূলক’ নয় বলে অভিহিত করেছেন। ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রেসিডেন্টপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটন পেন্টাগনের কথাই প্রতিধ্বনিত করেছেন একটি টুইটে। তিনি বলেন, এই মন্তব্যে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে সন্ত্রাসীরা।
ট্রাম্প নিজের বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন যে, যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের কিছু জায়গা এত বেশি মৌলবাদীতে পরিপূর্ণ যে পুলিশও সেখানে যেতে ভয় পায়। তার তীব্র সমালোচনায় লন্ডনের মেয়র বরিস জনসন বলেন, আমি নিউইয়র্ক গেলে সেসব জায়গা এড়িয়ে যাব যেখানে আমার মি. ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে পারে। বিবিসি।
