মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাওট গ্রামে অন্তর (৭) নামের এক স্কুল ছাত্রকে অপহরণের পর হত্যা করেছে অপহরণকারীরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে এলাকাবাসী বাওট সোলাইমানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কমন রুমের ভেতর থেকে অন্তরকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।
অন্তর বাওট গ্রামের সৌদি প্রবাসী কাফিরুল ইসলামের ছেলে ও বাওট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী গোলাম মোস্তফার ছেলে সবুজ আলীকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ। উত্তেজিত জনতা সবুজের বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
অন্তরের বাবা কাফিরুল ইসলাম জানান, অন্তর প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকালে বাওট সোলাইমানী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খেলা দেখার পর বাড়ি ফিরছিল। এসময় অপহরণকারীরা তাকে অপহরণ করে। সন্ধ্যা থেকে মসজিদের মাইক দিয়ে ও এলাকাসীর গ্রামের বিভিন্ন মাঠে খোঁজাখুজি করে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে বিদ্যালয়ের কমন রুমের মধ্যে থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সন্দেভাজনভাবে প্রতিবেশী সবুজকে আটক করে গাংনী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় গাংনী থানায় একটি মামলা হয়েছে।
নিহত সবুজের চাচা জিয়াউর রহমান জানান, সবুজকে মুমূর্ষ অবস্থায় কুষ্টিয়া মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে মধ্যে মারা যায়। শুক্রবার কুষ্টিয়া মেডিকেল হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে দুপুরে লাশ গ্রামে পৌছাবে।
গাংনী থানার ওসি আকরাম হোসেন জানান, আটক সবুজকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
