ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকার একটি মানবাধিকার: ইনু

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৫, ২১:০৬
 
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘যুগের চাহিদার সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার ও খাদ্য পাওয়ার অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই অধিকার সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করা দরকার।’
 
তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকার একটি মানবাধিকার। এটি ব্যবহার করতে না দিলে বাংলাদেশে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হবে। একইসঙ্গে সংখ্যালুঘু, নারী-পুরুষের সমানাধিকার রক্ষায় আমাদের সচেষ্ট থাকতে হবে।’ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের উত্তোরণ পর্যায়ে মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস। এই হুমকি মোকাবেলার পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহার, বিচার বহির্ভূত হত্যা, গণপিটুনি, গুম এসব ঘটনাকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিচ্যুতি হিসেবে ধরে নিয়ে একে সংশোধন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য জঙ্গিবাদকে ধ্বংস করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার যেসব বিচ্যুতি রয়েছে সেগুলো সংশোধন করাটাই হচ্ছে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।
 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি একটি কাচের ঘর তৈরী করে দিচ্ছে। যে কাচের ঘরে নারী-শিশু, রাষ্ট্র ও অর্থনেতিক প্রতিষ্ঠান থাকে। থাকে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন। এই কাচের ঘরের ভেতরে সকলের নিরাপত্তা ও ব্যক্তি জীবনের গোপনীয়তার রক্ষার বিষয়টিও দেখতে হবে। কারন সাইবার অপরাধীরা সাইবার জগতটাকে ধ্বংস করে পরিস্থিতি অসহনীয় করে তুলছে। সুতরাং মানুষের যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করার অধিকার থাকে তাহলে সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কিভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে সেজন্য আইনটি তৈরী করতে হবে।