লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর-লক্ষ্মীপুর সদর একাংশ) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমানকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার দুপুরে রামগতি উপজেলা সদর আলেকজাণ্ডার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। তবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জাপার এ সংসদ সদস্য জানান, ব্যক্তিগত কাজে তিনি রামগতি যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমান ব্যক্তিগত গাড়িতে লক্ষ্মীপুর থেকে রামগতি যাচ্ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি আলেকাজাণ্ডার বাজারে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা গাড়িটির চারদিক ঘিরে ফেলে এবং বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তিনি (সাংসদ নোমান) ব্যক্তিগত কাজে রামগতি যাওয়ার কথা জানালেও ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে লক্ষ্মীপুরের দিকে রওনা হন। এ সময় ছাত্র ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তার পিছু নেন। পরে তিনি রামগতি থানায় ঢুকে ওসির কক্ষে আশ্রয় নেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি লক্ষ্মীপুর ফিরে যান।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমান জানান, ব্যক্তিগত কাজে (আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে) রামগতি যাওয়ার বিষয়টি তিনি আগেই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর দাবি করেন, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে দলীয় প্রার্থী আজাদ উদ্দিন চৌধুরীর (প্রতীক-লাঙ্গল) পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য নির্বাচনী এলাকায় এসেছিলেন।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, প্রচারণা না চালালেও নির্বাচনী এলাকায় জাপার সংসদ সদস্য প্রবেশ করায় এ ঘটনা ঘটেছে।
