জলবায়ু ইস্যুতে আলোচনার জন্য ২০১৮ সালে প্যারিসে ফের বৈঠকের আয়োজন করা হবে। আর্থিক সহায়তা তহবিল মজুদ ও ২০২০ সালের মধ্যে নতুন জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য ফের ওই আলোচনার আয়োজন করা হবে। এরপর প্রতি পাঁচ বছর পরপর তহবিল মজুদ ও নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য এ ধরনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রতি ১০০ বিলয়ন ডলারের তহবিল দরকার হবে। এই অর্থ মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ-খাওয়ানোর জন্য ব্যয় করা হবে। পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া আরো সহজ হয়ে আসবে যখন স্বল্প কার্বন নিঃসরনকারী জ্বালানি আরো সহজলভ্য হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, ‘পুরো বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হলে কী অসাধ্য সাধন করা সম্ভব তা আমরা দেখিয়ে দিয়েছি’। প্যারিসে বিশ্ব সম্প্রদায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ইস্যুতে যে ঐকমত্যে পৌঁছেছে তার দিকে ইঙ্গিত করে ওবামা এ কথা বলেন।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট ফ্যাবিয়াস বলেন, ‘আমাদের ব্যক্তিগত চেষ্টার যোগফলের চেয়ে আমাদের সামষ্টিক প্রচেষ্টা অনেক বেশি মূল্যবান’।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশে ফিরে গিয়ে লোককে এখন বলতে পারব যে আমাদের বাঁচার একটি পথ করে আসলাম’।
প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়; সর্বোচ্চ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হয়। এছাড়া চলতি শতকের দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যেই কার্বন নিঃসরনের হার শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়।
