আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণ বিচার কমিটির আহ্বায়ক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধে দন্ডিত দুই জন যুদ্ধাপরাধীকে ফাঁসি দেয়ার পর পাকিস্তানের পার্লামেন্টে যে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়েছে তার কারণ তারা বাংলাদেশকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।
তিনি বলেন, পাকিস্তান ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে পারেনি। তাই এ দেশকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করে তাদের উপনিবেশ বানাতে চায়’।
মন্ত্রী আজ সায়েদাবাদে বাস স্ট্যান্ডে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার কমিটি আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এতে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা, প্রধান বক্তা ছিলেন গণবিচার কমিটির সদস্য সচিব ওসমান আলী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কমিটির সভাপতি রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা সড়ক পরিবহন কমিটির সভাপতি আব্দুল ওদুদ নয়ন।
শাজাহান খান বলেন, সড়ক পরিবহনের শ্রমিকরা বাংলাদেশের জনগণের সেবক। তারা বেগম জিয়ার অবরোধ মানেনি। তারা মানুষ মেরেছে। বেগম জিয়ার নির্দেশে পেট্রোল বোমা মেরে ৯২ জন ড্রাইভার-হেলপারকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের উদ্যেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানের দিকে নিয়ে যাওয়া।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পাকিস্তানী দূতাবাস থেকে জাল টাকা, জাল ডলার ছাপিয়ে জঙ্গীদের মদদ দেয়া হচ্ছে। এর নেতা ঢাকায় পাকিস্তানী দূতাবাসের জনৈক মাজাহার খান ও দূতাবসের একজন মহিলা।
অনতিবিলম্বে তাদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করার জন্য সরকারের কাছে তিনি আহ্বান জানান।
শাজাহান খান বলেন, পাকিস্তানের মদতে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের নৌ বাহিনীর মসজিদে হামলা করা হয়েছে। পাকিস্তানের মানবতা কর্মী আসমা জাহাঙ্গীর বলেছেন, দুই জন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয়েছে। তবে পাকিস্তান কেন তাদের পক্ষে কথা বলছেন। তাহলে মনে হয় এরা দু’জন পাকিস্তানের চর ছিল।
তিনি বলেন, এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ‘যুদ্ধাপরাধীদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার করতে হবে’। এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এতো সাহস কোথায় পেয়েছে।
এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ সংগঠনটি কাদের সৃষ্টি? এটা ভালভাবে বুঝতে হবে। যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল তাদের সৃষ্টি।
বিকেল ৩টায় সেগুন বাগিচার স্বাধীনতা হলে হাল্কা মটর যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে অপর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাসস
