আজ ‘সুরের বরপুত্র’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৫:০৫

আজ ২৩ ডিসেম্বর কালজয়ী গানের সুরের জনক আলতাফ মাহমুদের ৮২ তম জন্ম বার্ষিকি।‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির মতো এমন অসংখ্য কালজয়ী গানের রচয়িতা তিনি।

 

তার জন্মদিন উপলক্ষে  এই সংগীতকারের যাপিত জীবনসংগ্রাম ও দেশপ্রেমের নানাবিধ দিক ও তাঁর সৃষ্টিশীল জীবন নিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ‘সুরের বরপুত্র’ শিরোনামের একটি গ্রন্থ। বইটি লিখেছেন দিনু লিল্লাহ।

 

আজ বুধবার, রাজধানীর সেগুনবাগিচার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বিকেল ৫টায় এ গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান হবে। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন অধ্যাপক হায়াত মামুদ, সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা (বীর প্রতীক) গোলাম দস্তগীর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ ও লেখক দিনু বিল্লাহ। বইটির মোড়ক উন্মোচনের পর দেশের প্রতিশ্রুতিশীল সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে সন্ধ্যায় সংগীত ও আবৃত্তির সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হবে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 

১৯৩৩ সালের ২৩শে ডিসেম্বর বরিশাল জেলার মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে আলতাফ মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করে বিএম কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি চিত্রকলা শিখতে ক্যালকাটা আর্টস স্কুলে গমণ করেন। বিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ই মাহমুদ গান গাইতে শুরু করেন। তিনি প্রসিদ্ধ ভায়োলিন বাদক সুরেন রায়ের কাছে প্রথম সঙ্গীতে তালিম নেন। তিনি গণসঙ্গীত গাইতে শেখেন যা ঐ সময় তাঁকে অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও বিপুল খ্যাতি এনে দেয়।

 

১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট ভোরবেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সংগীতকার আলতাফ মাহমুদকে ঢাকার আউটার সার্কুলার রোডের বাসা থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ধরে নিয়ে যায়। সেই সময়ে প্রথমে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে রাখা হয় রমনা থানায়। সেখানে তাঁর ওপরে প্রচণ্ড নির্যাতন করা হয় এবং ৩ সেপ্টেম্বর আবারও তাঁকে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাতস্থানে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।