ইত্তেফাক আমাদের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কাঠামো তৈরি করেছে

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫, ২০:৪৯
আমাদের পত্রিকাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা ইত্তেফাক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ইত্তেফাক যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে তেমনি চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। আর এ জন্যই অন্য যেকোনো পত্রিকা থেকে ইত্তেফাক তার স্থানকে আলাদা উচ্চতায় তুলে ধরেছে।
 
একটা সময় ইত্তেফাকই আমাদের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতো। এরপর গণমাধ্যম অনেক বেড়ে গেলেও ইত্তেফাক তার সৃজনশীল লেখার মাধ্যমে নিজের জায়গাটি এখনও ধরে রেখেছে। সেই প্রথমদিক থেকে আজ অবধি ইত্তেফাক আমাদের চলচ্চিত্রের সঙ্গে আছে।
 
আবহমানকাল ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে সঙ্গে নিয়ে ইত্তেফাকের এই পথচলা আরো অটুট বন্ধনে চলতে থাকবে। বাংলা চলচ্চিত্রকে সুস্থ, সুন্দর ও একটা শক্তিশালী স্থানে আবার ফিরিয়ে আনতে ইত্তেফাক আরো অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে সেই প্রত্যাশা ইত্তেফাকের কাছে সবসময় থাকে।
 
বাংলাদেশের জন্মের পূর্ব থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন ইতিবাচক বা নেতিবাচক সকল ঘটনার যেমন সাক্ষী, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক পরম বন্ধু ইত্তেফাক। আমাদের চলচ্চিত্রের প্রতিচ্ছবি আমি বলবো ইত্তেফাককে। কারণ শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ইত্তেফাক খুললে আমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির হালচাল সম্পর্কে জানতে পারি। ইত্তেফাক আমাদের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কাঠামো তৈরি করেছে।
 
ইত্তেফাক ছিল, ইত্তেফাক আছে, ইত্তেফাক থাকবে। ৬২ বছর ইত্তেফাক সাফল্যের সঙ্গে পার করেছে, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। ইত্তেফাকের উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা সবসময়ের জন্য। ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইত্তেফাক পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।