রাজশাহীতে ইত্তেফাকের ৬৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সাংসদ বাদশা

'ইত্তেফাককে বাদ দিয়ে দেশের ইতিহাস লেখা যাবে না'

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৭:২০

 

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, দৈনিক ইত্তেফাককে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যাবে না।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সম্মেলন কক্ষে ইত্তেফাকের ৬৩তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে সুধী-সমাবেশ ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে দৈনিক ইত্তেফাকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ২৫ মার্চের কালরাতে দৈনিক ইত্তেফাক ভবন জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল। তারপরও ইত্তেফাকের লেখনি থামানো যায়নি। ইত্তেফাকও মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম নেমেছিল। ডিসেম্বর মাস আমাদের বিজয়ের মাস। এই মাসেই পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইত্তেফাক দেশের পতাকা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, এর এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

 

সংসদ সদস্য বাদশা বলেন, ইত্তেফাকের প্রতি আমাদের দেশের মানুষের ভালবাসা ও আদর্শবোধ রয়েছে। ইত্তেফাকের লেখনি মুক্তিযুদ্ধের ধারায়ই এখনো চলছে।
 
বিশেষ অতিথি রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমাজসেবী শাহীন আক্তার রেণী বলেন, একটি পত্রিকা তখনই প্রাধান্য পায়, যখন পাঠক সবকিছু তার মধ্যে খুঁজে পায়। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিক্ষিত যুবকদের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যম ছিল। বিভিন্ন সামাজিক ঘটনা ও বস্তুনিষ্ঠ বিষয়গুলো ইত্তেফাক পত্রিকায় উঠে আসে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরো বেশি করে তুলে ধরবে এটাই ইত্তেফাকের প্রতি আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

বিশেষ অতিথি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ইত্তেফাক পত্রিকাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা হওয়ার জন্য সহযোগিতা করেছে দৈনিক ইত্তেফাক।

বিশেষ অতিথি রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, ইত্তেফাক পত্রিকাটি অর্ধশতাধিক বছর পরও জনগণের কাছে এখনো জনপ্রিয়। এই পত্রিকাটি মুক্তিযুদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। একমাত্র দৈনিক ইত্তেফাকের মাধ্যমেই মানুষ দেশ-বিদেশের খবরা খবর পেতেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রেখেছে পত্রিকাটি।
 
দৈনিক ইত্তেফাকের রাজশাহী অফিসের স্টাফ রিপোর্টার আনিসুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনি, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ, সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহানগর ইউনিট কমান্ডার ডা. আবদুল মান্নান ও জাসদের (ইনু) রাজশাহী মহানগর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী।

এছাড়া ক্যাব রাজশাহী জেলা সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক কাজী গিয়াস, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মামুন অর রশিদ, প্রথম আলোর রাজশাহী ব্যুরো প্রধান আবুল কালাম আজাদ, কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সেকেন্দার আলী, রাজশাহী টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আহসান হাবীব অপু, সাবেক সভাপতি শ.ম. সাজু, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য আবদুল জাবীদ অপু, সোনালী সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার তৈয়বুর রহমান, রাজশাহী মেট্টোপলিটন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, সংবাদের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান সুব্রত দাস, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের রাজশাহী অঞ্চলের সমন্বয়কারী সুব্রত কুমার পাল ও সুজনের রাজশাহী জেলা সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, দেশটিভি ও নিউএজের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান এসএম আতিক, রাজশাহী জার্নালের প্রতিবেদক তামান্না ইয়াসমিন, দৈনিক যুগান্তরের ফটোসাংবাদিক আব্দুল্লাহ ইকবাল, দৈনিক লালগোলাপের ফটোসাংবাদিক মামুন রেজা, সমাচারের ব্যুরো প্রধান আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার সফিকুল ইসলাম, দৈনিক বার্তার স্টাফ রিপোর্টার এসএম তরিকুল ইসলাম, দৈনিক সোনার দেশের স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল আরেফিন, উত্তরা প্রতিদিনের সিনিয়র সহ-সম্পাদক কবি শামীম হোসেন, শাহীন ক্যাডেট একাডেমি, রাজশাহীর পরিচালক হাবিবুর রহমান, ইত্তেফাকের পুঠিয়া প্রতিনিধি হাসমত দৌলা, পবা প্রতিনিধি ডা. আনিছুর রহমান, চারঘাট প্রতিনিধি এসএম মোজাম্মেল হক, প্রবীণ সংবাদপত্র এজেন্ট হেকমতউল্লাহ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়া টেলিফোন করে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও রাজশাহী মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু ও সাধারণ সম্পাদক সফিকুল হক মিলন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক কামরুল মনির, জাতীয় পার্টির (জেপি) রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সালাহউদ্দিন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল আলম ফটিক প্রমুখ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।