ফি রে দে খা ২ ০ ১ ৫

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৫, ০১:৫৯
তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এগিয়ে চলছে। এই খাতের সাথে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশীয় অর্থনীতির দ্বিতীয় বৃহত্তম খাতে পরিণত হবে তথ্যপ্রযুক্তি। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার বাস্তবায়নে গৃহীত বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও বেগবান করেছে। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সেইসাথে ব্যক্তিগত বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ তো রয়েছেই। সবমিলিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অগ্রসরমান এক বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে গেল বছরটি খুব একটা খারাপ কাটেনি। গেল বছরে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন তরিকুর রহমান সজীব
 
সরকারি কর্মকাণ্ডে নতুন গতি
 
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গত কয়েকবছর ধরেই নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে হাইটেক পার্কের বিষয়টি কয়েক বছর ধরেই ছিল আলোচনার শীর্ষে। হচ্ছে, হবে করেও হাইটেক পার্কের কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্র অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। এই বছরের জুনে এসে শেষ পর্যন্ত হাইটেক পার্কের দুইটি ব্লকের উন্নয়ন কাজের চুক্তিবদ্ধ হয় সামিট গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সামিট টেকনোপলিস ও ভারতের ইনফিনিটি ইনফোটেক পার্কস। ফলে দেরিতে হলেও হাইটেক পার্ক এখন বাস্তবতায় পরিণত হলো। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আইনি কাঠামো (রেগুলেটরি এনভায়রনমেন্ট), মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়ন (ইন্ডাস্ট্রি প্রমোশন), আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, তথ্যপ্রযুক্তির নতুন গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরা এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা ও কর্মপন্থা—এই সাতটি বিষয়কে সামনে রেখে আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে চার বছরের রোডম্যাপ। এই খাতের জন্য নীতি-নির্ধারণী এমন রোডম্যাপ এই প্রথম। এই বছরে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যাশনাল ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ও টায়ার-৪ ডাটা সেন্টার তৈরির কাজও দৃশ্যমানভাবে এগিয়ে গিয়েছে। তাছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে দেশের আইসিটি অবকাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১২শ ইউনিয়নে এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগগুলো নিঃসন্দেহেই দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
 
টেক স্টার্টআপ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল
 
বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিতে স্টার্টআপ গড়ে ওঠার বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশেও এমন টেক স্টার্টআপ গড়ে উঠতে শুরু করেছে এবং এই বছরে টেক স্টার্টআপগুলোর অগ্রগতি অনেকটাই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। টেক স্টার্টআপ মূলত প্রযুক্তি খাতের ছোট ছোট উদ্যোগ। এসডি এশিয়াসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনই টেক স্টার্টআপগুলোর জন্য নানাভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আগ্রহী তরুণদের মধ্যে স্টার্টআপ গড়ে তোলার একটি ধারাও তৈরি হয়েছে। এসব স্টার্টআপের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয় হলো বিনিয়োগ। প্রযুক্তি খাতের এসব ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগ পাওয়া কঠিনই ছিল এতদিন। সেই ধারা বদলে যেতে শুরু করেছে এখন। গত বছরেই যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম ফেনক্স দেশের প্রযুক্তি উদ্যোগে বিনিয়োগ শুরু করেছে। এ বছরের শেষদিকে এসে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে শুরু করেছে তাদের কার্যক্রম। এর বাইরে টেক স্টার্টআপগুলোর সাথে বিনিয়োগকারীদের সম্পর্ক স্থাপনের বিভিন্ন উদ্যোগও গৃহীত হয়েছে এ বছরে। খাত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকেই আগামী কয়েক বছরে প্রযুক্তিবিশ্বে সাড়া ফেলার মতো প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে ওঠা সম্ভব।
 
নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে সামাজিক
 
যোগাযোগ মাধ্যম
 
বছরের শেষের দিকে এসে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামীর রায় কার্যকরকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না তৈরি করে, সেটা নিশ্চিত করার জন্যই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে ছিল ফেসবুক, ভাইবার, ট্যাঙ্গো, লাইন, কমোয়ো, হ্যাংআউট প্রভৃতি। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর প্রায় সকলেই ফেসবুকে যুক্ত। ফলে ফেসবুক বন্ধ থাকায় নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সরকারকে। তাছাড়া ফেসবুককে ব্যবহার করে ক্ষুদ্র ব্যবসায় পরিচালনাকারীরাও বিপাকে পড়ে। এর মাঝে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠকেও বসেন সরকারের প্রতিনিধিরা। ১৮ নভেম্বর থেকে এই সেবা বন্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত ১০ ডিসেম্বর খুলে দেওয়া হয় ফেসবুক। এর আগে অবশ্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভাইবার, ট্যাঙ্গো, লাইন, হোয়াটসঅ্যাপ ও মাইপিপল নামের পাঁচটি মেসেজিং সেবাও বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার।
 
গুগল ট্রান্সলেটে বাংলাদেশের রেকর্ড
 
চলতি বছরের মার্চ মাসে স্বাধীনতা দিবসে গুগল ট্রান্সলেটে চার লাখ বাংলা শব্দ সংযোজনের লক্ষ্য গ্রহণ করে ভাষাভিত্তিক প্রথম গুগল ডেভেলপারস গ্রুপ (জিডিজি) জিডিজি বাংলা। সরকারের আইসিটি বিভাগ থেকেও সহায়তা প্রদান করা হয় এই উদ্যোগে। শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা দিবসে দেশের ৮১টি স্থানে চার সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবী ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে গুগল ট্রান্সলেটে সাত লাখ বাংলা শব্দ যোগ করে নতুন রেকর্ডের অংশীদার হয় বাংলাদেশ। অনলাইনে বাংলা ভাষার ব্যবহার আরও প্রসারিত হওয়ার ক্ষেত্রে একে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
 
দেশীয় অ্যাপ, দেশীয় আইটি সেবা
 
তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ক্রমেই দেশীয় অ্যাপ ও দেশীয় আইটি সেবাগুলো স্থান করে নিতে শুরু করেছে। সরকারের আইসিটি বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে এ বছরেও। এর ধারাবাহিকতায় জুলাই মাসে আইসিটি বিভাগ উন্মুক্ত করে দেশীয় ৫০০ মোবাইল অ্যাপ। জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই অ্যাপগুলো অবমুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৩০০ অ্যাপ ছিল সরকারি বিভিন্ন সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট। বাকি ২০০ অ্যাপ তৈরি করা হয় সৃজনশীল ধারণার ওপর। এ ছাড়া বছরের ফেব্রুয়ারিতেই অবমুক্ত করেন পাবলিক লাইব্রেরি ডিজিটাল সংস্করণ এবং অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার (ওসিআর) সফটওয়্যার। এটুআইয়ের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় এগুলো তৈরি হয়। এর বাইরে দেশীয় মেসেজিং সার্ভিস হিসেবে লক্ষ্মী, কমোয়ো প্রভৃতিও যাত্রা শুরু করেছে। এ ছাড়াও মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইটি সেবাও গড়ে উঠতে শুরু করেছে এ বছর।
 
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে হতাশা
 
তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে সরকারের নানা ধরনের উদ্যোগ থাকলেও চলতি অর্থবছরের বাজেটে তার প্রতিফলন তেমন একটা দেখতে পাননি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সাথে সংশ্লিষ্টরা। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের তিন শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসেস (বেসিস) ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) পক্ষ থেকেও বাজেটকে প্রযুক্তিবান্ধব নয় বলে অভিহিত করা হয়। বাজেটে বেশকিছু তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বেশকিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়া হলেও কিছু কিছু পণ্য ও সেবায় শুল্ক আরোপ ও শুল্ক বৃদ্ধি ছাড়াও ই-কমার্সের ওপর চার শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়টি সমালোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য কিছু কিছু প্রস্তাবনা সংশোধনও করা হয়। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই খাতে সরকারের আগ্রহের অনেকটাই প্রতিফলন পাওয়া যায় বাজেটে। তাই বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।
 
তথ্যপ্রযুক্তির প্রদর্শনী, মেলা আর সম্মেলন
 
গত কয়েক বছর ধরেই দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো নানা ধরনের প্রদর্শনী, সম্মেলনের আয়োজন করে আসছে। সরকারের পক্ষ থেকেও নিয়মিতই এই ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে এ বছরের সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত আয়োজন করা হয় সপ্তাহব্যাপী বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক। সরকারের আইসিটি বিভাগ, বেসিস ও গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় একযোগে আয়োজন করা হয় এই উত্সব। সারাদেশের মানুষের কাছে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সেবাকে পরিচিত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়োজন ছিল ইন্টারনেট উইক। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত চার দিনের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমেও চেষ্টা করা হয় আইটিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এবং আইটি খাতে বাংলাদেশের অর্জনগুলোকে বিদেশের সংশ্লিষ্টদের সামনে তুলে ধরার। বেসরকারি সংগঠনগুলোও বছরের বিভিন্ন সময়ে আয়োজন করেছে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে নানা ধরনের প্রদর্শনী, সম্মেলন প্রভৃতি। তবে সংশ্লিষ্ট খাতের অনেকেই মনে করেন, এই ধরনের আয়োজনকে রাজধানীকেন্দ্রিক না করে প্রান্তিক পর্যায়ে আয়োজন করতে পারলে তা কার্যকর হয়ে উঠবে।
 
তথ্যপ্রযুক্তির আন্তর্জাতিক সূচকে পিছিয়ে বাংলাদেশ
 
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এখন অনেকটাই দৃশ্যমান হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই অর্জনকে সামান্যই মনে করছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তথা ইন্টারনেটের জনক টিম বার্নস লি’র গড়ে তোলা সংগঠন ওপেন ডাটা ব্যারোমিটার এ বছরে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনলাইনে রাষ্ট্রীয় তথ্য প্রদান ও স্বচ্ছতায় বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় পাঁচ ধাপ পিছিয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংস্থা আইটিইউয়ের মেজারিং দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি শীর্ষক এক প্রতিবেদনেও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২৯টি দেশের মধ্যে তথ্য ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বাংলাদেশ সর্বশেষ স্থান দখল করেছে। আর আইটিইউয়ের প্রযুক্তি উন্নয়ন সূচক বিষয়ক সর্বশেষ গবেষণা প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৬৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ স্থান পেয়েছে ১৪৫ নম্বর অবস্থানে। আগের বছরের তুলনায় এই সূচকে বাংলাদেশ এগিয়েছে মাত্র এক ধাপ। সরকারি কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারেও আন্তর্জাতিক সূচকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগ পরিচালিত ই-গভর্নমেন্ট জরিপ প্রতিবেদনেও ই-গভর্নমেন্ট ইনডেক্সে (ইজিডিআই) ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৮, যা আগের বছরের তুলনায় এগিয়ে দু ধাপ। স্পষ্টতই, এসব খাতে উন্নয়নের ধারা থাকলেও তা প্রত্যাশিত মাত্রায় অগ্রসরমান নয়। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে তাই এই খাতকে এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সব সংগঠনকে আরও কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো।