প্রার্থনা ও আনন্দের বড়দিন

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৩:১৮
 
খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন পালন হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকেই গির্জায় গির্জায় প্রার্থনা শুরু হয়েছে। 
 
সকাল সাতটায় বড়দিনের প্রধান প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে গাজীপুরের কালীগঞ্জের সাধু নিকোলাস গির্জায় শুরু হয় বড়দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সেখান থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনা করা হয়। সাধু নিকোলাস গির্জায় প্রার্থনা পরিচালনা করেন গির্জার পাল পুরোহিত ফাদার আলবিন গোমেজ।
 
এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় দ্বিতীয় প্রার্থনা সভা হয়। বড়দিনকে কেন্দ্র করে গির্জাকে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। সকাল থেকে দিনব্যাপী গির্জায় বিভিন্ন কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
রাজধানীর কাকরাইল চার্চটি বড়দিন উপলক্ষে সান্তাক্লজ, প্রতীকী গোশালা, ক্রিসমাস ট্রিসহ প্রভৃতি অনুষঙ্গ দিয়ে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। 
 
কাকরাইল চার্চসহ রাজধানীর সাতটি চার্চ ও দেশের অন্যান্য চার্চগুলোতেও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছেন। এছাড়া বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেলগুলোও সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে, আয়োজন করা হয়েছে নানা অনুষ্ঠানের।
 
এ বছর যীশুভক্তরা যীশুর দু'হাজার ১৫তম জন্মোৎসব উৎযাপন করছে। খ্রিষ্টের জন্মদিনে সকাল থেকেই গির্জায় গির্জায় সমবেত হন ছোট বড় নানা বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষেরা।
 
পাপ মোচনের লক্ষ্যে ঈশ্বরের দরবারে চলে তাদের প্রার্থনা। প্রার্থনা সঙ্গীতে মুখর হয়ে রয়েছে গির্জা প্রাঙ্গণ।
 
বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টি জেপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও ধর্মীয় সম্প্রদায় পৃথক বাণীতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।