সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. আতাবুল্লাহর আদালত ৩২ জন আসামির বিরুদ্ধে দাখিলকৃত মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেন। এ সময় এ মামলায় পলাতক ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ উপলক্ষে কারাগারে থাকা মামলার ১১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হলেও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) জি কে গউছকে আদালতে হাজির করা হয়নি।
সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, আব্দুল মাজেদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, শরিফ সাহেদুল আলম, শেখ ফরিদ, মুফতি মঈনুদ্দিন ওরফে মঈনুদ্দিন শেখ, হবিগঞ্জ কারাগারে থাকা মিজানুর রহমান মিঠু, বদরুল আলম মিজান, হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমদ ও দেলোয়ার হোসেন রিপনকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়াও মামলার প্রথম চার্জসিটভুক্ত উচ্চ আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত আসামি একেএম আব্দুল কাইয়ূম, জয়নাল আবেদীন জালাল, জমির আলী, জয়নাল আবেদীন মোমিন, তাজুল ইসলাম, সাহেদ আলী, মো. সেলিম ও আয়াত আলী আদালতে হাজির ছিলেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম. আকবর হোসেন জিতু।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া ও তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ পাঁচজন। এতে আহত হন ৪৩ জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান এমপি বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলাকরেন। বর্তমানে হত্যা মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
