সৌদি ও ইরানকে শান্ত থাকার আহ্বান কেরির

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০১৬, ১৬:৪৭
 
সৌদি আরব শীর্ষ শিয়া নেতা শেখ নিমর আল-নিমরসহ ৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল অব্যাহত রয়েছে। ইরান এবং সৌদির মধ্যে চলছে চরম উত্তেজনা। এ অবস্থায় দুই দেশকে শান্ত থাকার আহবান জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।
 
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফোনে দুই দেশকেই বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্য্য ধারনের আহ্বান জানিয়েছেন। সৌদি ডেপুটি যুবরাজকেও তিনি একই আহবান জানিয়েছেন। গত রবিবার তেহরানে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা সৌদি দূতবাসের ভাঙচুর চালালে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়। মূলত শিয়া-সুন্নীর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণেই এই বর্তমান অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইরান মনে করছে, তাদের শিয়া নেতাকে এভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়া তাদের প্রতি এক চরম অবমাননার শামিল। আর এ কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-সৌদি একে অপরকে প্রতিদ্ধন্দ্বী বলে মনে করছে। যার প্রতিফলন আমরা সিরিয়া এবং ইয়েমেনে ওই দুই দেশের ভূমিকায় দেখতে পাই। মুখপাত্র কিরবি বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিরিয়া সমস্যা সমাধানে শান্তি চুক্তির উপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুইদেশের মধ্যে এই উত্তেজনা বন্ধে শান্তি আনয়নে সবসময়ই সংলাপকে তারা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
 
তবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হলে সংকট নিরসনে তাদের হাতে প্রয়োগ করার মতো আরো অনেক পদক্ষেপ রয়েছে। তাই তারা আশা করছেন, এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হোক। দুইদেশের মধ্যে চলমান এ উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সুদান ইরান থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।  সর্বশেষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কাতার। তারাও ইরান থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, সৌদি আরব তাদের ধর্মীয় নেতাকে শিরশ্ছেদের মাধ্যমে তারা তাদের অপরাধকে লুকিয়ে রাখতে পারবে না। অথচ তারাই আবার দুইদেশের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক তৈরির কথা বলছেন। 

Lei wewewmi|