যানবাহনে নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যৌন হয়রানি বন্ধে ১৫ সদস্যর একটি মনিটরিং কমিটি করছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৪তম সভা শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।
যানবাহনে নারী যাত্রীদের নিরাপত্তার অভাব ও যৌন হয়রানির বিভিন্ন অভিযোগ সভায় তুলে ধরেন কয়েকজন আলোচক। পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যর একটি কমিটি এই পর্যবেক্ষণ চালাবে। এ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। গত ডিসেম্বরে মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসার পথে যৌন হয়রানির শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই বাসের চালকের সহকারীকে পুলিশ আটক করে।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ‘নিরাপদ নগর কর্মসূচির ভিত্তিমূলক জরিপ’ এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের শহর অঞ্চলে গণপরিবহন, রাস্তা, বাজার ও বিপণিবিতানে নারীরা সবচেয়ে বেশি যৌন হয়রানির শিকার হন। জরিপে অংশগ্রহণকারী নারীদের ৪৮ শতাংশই বলেছেন, বাসের চালক বা ভাড়া আদায়কারীর মুখে অবমাননাকর ভাষা শোনার অভিজ্ঞতা তাদের হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা রোড সেফটি কাউন্সিলকে কার্যকর করার জন্য উদ্যেগ নেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ কমিটির প্রধান হিসেবে আছেন জেলা প্রশাসক; পুলিশ সুপারও রয়েছেন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনসহ সড়ক পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
