ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন: ঐতিহ্য ধরে রাখল মির্জা পরিবার

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৬, ২০:২১
স্বাধীনতা পর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিতে অঙ্গনে মির্জা পরিবার নাম ডাক রয়েছে। ১৯৭৪ সালে সাবেক মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমিন, ১৯৮৮ সালে বর্তমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ২০১৬ সালে মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভা মেয়র নির্বাচিত হয়ে মির্জা পরিবার ঐতিহ্য ধরে রাখল বলে শহরের মানুষ মত প্রকাশ করেছেন।
 
পারিবারিক সূত্র থেকে জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমি ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় ১৯৭৪ সাল থেকে কয়েকবার পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। চেয়ারম্যান থাকাকালীন পৌরসভা উন্নয়নের কান্ডারি হিসেবে খেতাব দিয়ে ছিলেন পৌরবাসী। পরে তিনি বিএনপি আমলে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পর থেকে মির্জা রুহল আমিনের বড় ছেলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৮৮ সালে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করে প্রথমে ঠাকুরগাঁও পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৪ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাদেমুল ইসলামে কাছে পরাজিত হন।
 
পরে ২০০১ সালে বর্তমান ঠাকুরগাঁওয়ের-১ আসনের এমপি সাবেক পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্রকে পরাজিত করে মির্জা আলমগীর এমপি নির্বাচিত হন। এখন তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবার ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় মির্জা পরিবারের ছোট ছেলেও পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাই সাধারণ মানুষ মনে করছেন বিগত আমলে মির্জা পরিবার ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন সেই ধারবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন নব নির্বাচিত মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন।
 
পৌর শহরের সমাজ সেবক রফিকুল ইসলাম জানান, মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও মানুষের নেতা। তারই ঐতিহ্য ধরে রেখেন পরিবারটি। আশা করি এই পরিবারটি দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করে যাবে।
 
ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মনতোষ কুমার দে জানান, মির্জা পরিবার এবারও ঠাকুরগাঁওয়ের পৌরসভার নেতৃত্বে এসেছে। মির্জা ফয়সল আমিন তার বাবা ও বড় ভাইয়ের মত জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন।
 
নব নির্বাচিত মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও পৌরবাসীর ভালবাসায় আমি মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। মেয়র নির্বাচিত হয়ে আমার এখন অনেকটা দায়িত্ব বেড়ে গেল। আমি আমার বাবা ও বড় ভাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মত ঠাকুরগাঁও পৌরসভাকে আর এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাই।’