ব্যক্তি পর্যায়ে ও ব্যবসাক্ষেত্রে জনপ্রিয় হচ্ছে আইওটি

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৬, ০৩:২৪
ব্যক্তি পর্যায়ে এবং ব্যবসাক্ষেত্রে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি’র প্রভাব বড়েই চলেছে। এক গবেষণা প্রতিবেদনে গার্টনার জানিয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় আইওটি যুক্ত হবে। এর কারণ হিসেবে গার্টনার জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য একটি নেটওয়ার্কে নিয়ে আসা বা আইওটি’র আওতায় আনতে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, সামনের দিনগুলোতে তা আরও কমে আসবে। ইন্টারনেট অব থিংস হলো বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া। এতে যুক্ত থাকতে পারে স্মার্টফোন, হেডফোন, কফি মেকার, এয়ার কন্ডিশনার, টিভি, ওয়াশিং মেশিন থেকে শুরু করে ঘরের ফ্যান কিংবা লাইটও। গার্টনারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশ্লেষক ডব্লিউ রয় শুল্ট মনে করেন, ভার্চুয়ালি সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রির জন্যই আইওটি সমানভাবে ব্যবহারযোগ্য।
 
তবে শুধু আইওটির জন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশন নাও থাকতে পারে। এর পরিবর্তে থাকবে একাধিক অ্যাপ যা আইওটির বিভিন্ন অংশকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করে তুলবে।

 
গার্টনারের তথ্যানুসারে, আইওটি’র যেমন প্রসার বাড়বে, তেমনি বাড়বে আইওটি’র জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের চোরাই বাজারও। ২০২০ সালের মধ্যে আইওটি’র বিভিন্ন ফেইক সেন্সর কিংবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন চোরাই পণ্যের বাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আইওটি’র ব্যবহার যত বৃদ্ধি পাবে, এর নিরাপত্তার বিষয়টিও ততই সামনে উঠে আসবে। ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন পণ্যের এই নেটওয়ার্কে সাইবার হামলার পরিমাণও সামনের দিনগুলোতে বেড়ে যাবে। শুধু আইওটি’র নিরাপত্তায় বাত্সরিক নিরাপত্তা বাজেট ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হতে পারে।