র্যাব ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্যকে হত্যার মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের ওপর দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। জেষ্ঠ্য বিচারপতি মো. নিজামুল হক দণ্ডপ্রাপ্ত ১৩ আসামিকেই বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অপরদিকে কনিষ্ঠ বিচারক মো. ফারুক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন ও বাকি সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ বহাল রেখেছেন।
আপিল শুনানি শেষে মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। এই দ্বিধাবিভক্ত আদেশের ফলে এখন বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তারপর উনার গঠিত বেঞ্চে মামলাটির নিষ্পত্তি হবে।
২০০৬ সালের ১ ডিসেম্বর ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার খবর পেয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদীতে অভিযান চালায় র্যাব ও কোস্টগার্ডের একটি দল। ওই সময় উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হলে র্যাব ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য মারা যান। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা আদালত আসামি আকরাম শেখ, আলম শেখ, জামাল শেখ, কামাল শেখ, রিয়াজুল শেখ ও আসলাম শেখ ও বাদশা শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং রফিকুল, ইদ্রিস, বাবুল, আলকাত ফকির ও ইশিয়াসসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়। এই মৃত্যুদণ্ডের এক আসামি হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন। ওই আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এই দ্বিধাবিভক্ত রায় দেয়।
